২২ জানুয়ারী ,মঙ্গলবার, ২০১৯

শিরোনাম

> বিশেষ প্রতিবেদন

 

ফাতেমা জান্নাত মুমু  • রাঙামাটি

১৯ জুলাই ,বৃহস্পতিবার, ২০১৮ ১৪:১৯:৫৩

হুমকির মুখে কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদ


হুমকির মুখে কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদ


দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃত্রিম জলধারা ও বাংলাদেশের প্রধান মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্র রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ। একটা সময় এ হ্রদকে মৎস্য প্রজাতির বৈচিত্র্যময় ও সমৃদ্ধশালী জলভাণ্ডার বলা হতো। কিন্তু ড্রেজিংয়ের অভাব, গভীরতা হ্রাস, পানি ও পরিবেশ দূষণের কারণে বিলুপ্ত হয়ে গেছে এ হ্রদের বহু প্রজাতির মাছ। তাই মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদ।

মৎস্য গবেষণা ইনষ্টিটিউটের তথ্য মতে, ১৯৬৪ সালে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে ২ প্রজাতির চিংড়ি, ১ প্রজাতির ডলফিন, ২ প্রজাতির কচ্ছপসহ ৭৬ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ ছিল। তার মধ্যে ৬৮টি দেশিয় ও ৮টি বিদেশি প্রজাতির মাছ।কিন্তু ক্রমাগতভাবে হ্রাস পেয়ে বর্তমানে তা নেমেে এসেছে মাত্র ২৩টি প্রজাতিতে।

এই ২৩ প্রজাতির মাছ কাপ্তাই হ্রদ থেকে বাণিজ্যিকভাবে আহরিত হলেও এখন বিলুপ্তি পথে আরও ৬ প্রজাতির মাছ। ইতোমধ্যে বিলুপ্তির তালিকায় শীল, দেশি সরপুঁটি, ঘাউরা, বাঘাইড়, মোহিনী বাটা, দেশি পাঙ্গাস, দেশিয় মহাশোল, মধু পাবদা, পোয়া, ফাইস্যা, তেলে গুলশা ও সাদা ঘনিয়ার নাম উঠেছে।

ক্রম হ্রাসমান মাছের মধ্যে রুই, কাতলা, মৃগেল, বাঁচা, পাতি পাবদা ও বড় চিতল রয়েছে। আরও কয়েক প্রজাতির দেশিয় মাছ এখন বিলুপ্তির পথে। কার্প মাছের তালিকাভুক্ত রুই, কাতলা, মৃগেল মাছের আহরণের পরিমাণও আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। তবে কাপ্তাই হ্রদে মাছের এই পরিবর্তনকে গুরুত্ব সহকারেই দেখছেন মৎস্য বিশেষজ্ঞরা।

রাঙামাটি জেলা বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী বেলাল উদ্দিন জানান, রাঙামাটিতে র্দীঘ দিন ধরে হ্রদের ড্রেজিং না হওয়ায় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন হুমকির মুখে পড়েছে। কারণ, রুই জাতীয় মাছের প্রাকৃতি প্রজনন ক্ষেত্র ছিল কাসালং চ্যানেলের মাইনীমুখ, বরকল চ্যানেলের জগন্নাথছড়ি, চেঙ্গী চ্যানেলের নানিয়ারচর ও রীংকং চ্যানেলের বিলাইছড়ি। এ চারটি নদীর চ্যানেলে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন হতো। কিন্তু বর্তমানে কাসালং চ্যানেলের মাইনীমুখ ও রীংকং চ্যানেলে পলি জমাটের কারণে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে ২টি চ্যানেলে স্বাভাবিক থাকলেও দ্রুত ড্রেজিং করা না হলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।  

এ ব্যাপারে রাঙামাটি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, বিগত সময়ে কাপ্তাই হ্রদের অনেক প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হলেও নতুন করে সংযোজিত হয়েছে ৯ প্রজাতির মাছ। সেগুলো হলো-গ্রাস কার্প, সিলভার কার্প, কার্পিও, রাজপুঁটি, তেলে নাইলোটিকা, তেলে মোজাম্বিকা, থাই মহাশোল, আফ্রিকান মাগুর ও থাই পাঙ্গাস। 

তিনি আরও বলেন, ২৫-৩০ বছর আগেই কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যাহত হয়ে পড়েছিল। তবে হ্রদে মাছের উৎপাদন বাড়াতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পর্যাপ্ত পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। ক্রিকের মাধ্যমে মাছ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। 

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন অধিদপ্তরের রাঙামাটি জেলা কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান আসাদ জানান, হালদা নদীর চেয়েও কাপ্তাই হ্রদের রিসোর্স অনেক বড় এবং আকর্ষণীয়। কিন্তু সঠিক ব্যবহারের অভাবে এই হ্রদের সম্পদকে সমৃদ্ধশালী করা যাচ্ছেনা। 

তবে বিএফডিসি রাঙামাটির মারিশ্যার চরে একটি বিলা হেচারি স্থাপন করেছে। এ হেচারিতে মাছের প্রাকৃতিগতভাবে প্রজনন ঘটিয়ে পোনা মাছ উৎপাদন করা হচ্ছে। বিশেষ করে কার্প জাতীয় মাছের পোনা। অনেক মৎস্যজীবী এ হেচারি থেকে পোনা মাছ সংগ্রহ করে মাছ চাষ শুরু করেছে। অনেকে লাভবানও হয়েছে। তাছাড়া এ হেচারীর উৎপাদিত পোনা মাছ সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে কাপ্তাই হ্রদের মাছের ঘাটতিপূর্ণ করা সম্ভব হতে পারে বলে জানান কর্নেল আসাদ।

প্রসঙ্গত, ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধের কারণে সৃষ্ট দেশের এই বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদটিকে মৎস্য সম্পদের ভাণ্ডারে পরিণত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনকে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেয়া হয়। তারপর ১৯৬৪ সাল থেকে হ্রদ থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মৎস্য আহরণ শুরু হয়। মাছের সুষ্ঠু ও প্রাকৃতিক প্রজনন, বংশ বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া প্রজনন ঋতুতে ৯ ইঞ্চি সাইজ পর্যন্ত পোনামাছ শিকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে।



মুমু/অরিন/নিউজ টোয়েন্টিফোর


'সময় থাকতে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন' 
জাজিরা প্রান্তে যাচ্ছে পদ্মাসেতুর ষষ্ঠ স্প্যান!
'উন্নয়নশীল হয়েছি, উন্নত দেশের কাতারে যেতে হবে'
বাস-ট্যাংকার সংঘর্ষ, নিহত ২৬
জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ১৫ বাড়িতে অভিযান!
শেষ স্ট্যাটাসে ‘আমাকে যেন ভুলে না যাও...’
‘আমার সারাদেহ খেয়ো গো মাটি’
সঙ্গীত শিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই!
জা-ভাসুরকে ফাঁসাতে সন্তানকে হত্যা!
‘আগুন নিয়ে খেলবে না’
আফগানিস্তানে তালেবানের হামলায় শতাধিক নিহত
জেলের জালে আটকা স্যাটেলাইটযুক্ত কচ্ছপ
‘এত শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বাংলাদেশে হয়নি’
অসুস্থ্য বাবাকে দেখতে গিয়ে ছেলের মৃত্যু  
ইয়াবাসহ আটক ছাত্রলীগ নেতা বহিস্কার
কুমিল্লাকেও থামাল রাজশাহী
বোরকা পরে ‘স্ত্রীর’ ওপর নজরদারি, ‘স্বামী’ আটক
গাছের সঙ্গে ধাক্কা, আলম সাধু চালক নিহত
বাস-সিএনজি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল চারজনের
‘আ.লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি’
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে রিট!
সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার
টস জিতে ফিল্ডিং করছে রংপুর
'সময় থাকতে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন' 
ট্রাক ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত
জাজিরা প্রান্তে যাচ্ছে পদ্মাসেতুর ষষ্ঠ স্প্যান!
'উন্নয়নশীল হয়েছি, উন্নত দেশের কাতারে যেতে হবে'
বাস-ট্যাংকার সংঘর্ষ, নিহত ২৬
জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ১৫ বাড়িতে অভিযান!
শেষ স্ট্যাটাসে ‘আমাকে যেন ভুলে না যাও...’
‘আমার সারাদেহ খেয়ো গো মাটি’
সঙ্গীত শিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই!
জা-ভাসুরকে ফাঁসাতে সন্তানকে হত্যা!
‘আগুন নিয়ে খেলবে না’
আফগানিস্তানে তালেবানের হামলায় শতাধিক নিহত
জেলের জালে আটকা স্যাটেলাইটযুক্ত কচ্ছপ
‘এত শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বাংলাদেশে হয়নি’
অসুস্থ্য বাবাকে দেখতে গিয়ে ছেলের মৃত্যু  
ইয়াবাসহ আটক ছাত্রলীগ নেতা বহিস্কার
কুমিল্লাকেও থামাল রাজশাহী
বিয়ে করলেন সঙ্গীতশিল্পী সালমা
‘গরীবের ডাক্তার’ ডা. রাকিবুল ইসলাম লিটু আর নেই
‘‌সৌদিতে সংস্কার না হলে বিপ্লব ঘটবে’
মায়ের লাশ বাইসাইকেলে বেঁধে একা ছেলে!
ছেলে সন্তানের মা হলেন টিউলিপ
অস্ত্র কারখানার সন্ধান, স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৩
বাসায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অহনা
হুথিদের গুলিতে সৌদির ১৪ সেনা নিহত
ইরান-রাশিয়া-চীনকে নিয়ে উদ্বেগে ট্র্রাম্প
ব্রেক্সিট ভোট দিয়েছেন অন্তঃসত্ত্বা টিউলিপ
এরশাদের অবর্তমানে কে পাচ্ছেন দলের দায়িত্ব!
টিআইবির অভিযোগ লজ্জাকর: নূরুল হুদা
বন্ধ হলো শাহবাগ শিশুপার্ক
এমপি হতে চায় অপু বিশ্বাস!
স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণ করল ৫ যুবক
‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল আসামি’
শিক্ষিকার মাদক ব্যবসায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
ধনী বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ তৃতীয়!
নৌবাহিনীর প্রধান হলেন আওরঙ্গজেব
মনের মতো একজন স্বামী পেয়েছি: সালমা

সব খবর