২১ সেপ্টেম্বর ,শুক্রবার, ২০১৮

শিরোনাম

> আন্তর্জাতিক

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

২০ আগস্ট ,সোমবার, ২০১৮ ২১:৪৫:১৩

‘মুসলমানদের দিয়েই মুসলমানদের হত্যা করাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র’


‘মুসলমানদের দিয়েই মুসলমানদের হত্যা করাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র’

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী।


ইসলাম ধর্ম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী ও অপরাধী আমেরিকার মূলনীতি যুদ্ধকামিতা বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী।

তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা হলো  মুসলমানদের দিয়েই মুসলমানদের হত্যা করা।

সোমবার হাজিদের উদ্দেশে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কঠিন সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমেরিকা মজলুমের বিরুদ্ধে জালিমদের উসকানি দিচ্ছে, জালিমদের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে, জালিমদের দিয়ে মজলুমদের নির্মমভাবে দমন করাচ্ছে। ভয়ানক বিভেদের আগুনের তীব্রতা বাড়িয়ে তুলছে ও তা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এ অবস্থায় মুসলমানদের অবশ্য সতর্ক থাকতে হবে এবং সতর্কতার মাধ্যমে এই শয়তানি নীতি ব্যর্থ করে দিতে হবে। হজ হচ্ছে এই সতর্ক হওয়ার ক্ষেত্র। এটিই হচ্ছে মুশরিক ও সাম্রাজ্যবাদীদের সঙ্গে বাবারাত বা সম্পর্কচ্ছেদের দর্শন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পূর্ণাঙ্গ হজবাণী নিচে তুলে ধরা হলো:

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়াস সলাতুন আলা রাসূলিহিল মুস্তাফা। ওয়া আলিহিল আতহারুল আবরার ও সাহবিহিল আখইয়ার। 

আল্লাহ তায়ালা বলেন: এবং মানুষের মধ্যে হজ্বের জন্যে ঘোষণা প্রচার কর। তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সর্বপ্রকার কৃশকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে। যাতে তারা (হজ অনুষ্ঠানের মধ্যে) তাদের কল্যাণ প্রত্যক্ষ করে এবং যাতে তারা নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম স্মরণ করে।

আরশের পক্ষ থেকে আসা এই সুমধুর সুর এখনো মানুষের অন্তরগুলোকে  আহ্বান করে এবং যুগ যুগ ও শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আল্লাহর একত্ববাদকে কেন্দ্র করে একস্থানে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানায়। পৃথিবীর সকল মানুষকে উদ্দেশ করে ইব্রাহিমি ঐতিহ্যের এই আহ্বান জানানো হয়েছে এবং তারা সবাই এজন্য গর্বিত। অবশ্য এমন অনেক কান আছে যেগুলো এই আহ্বান শুনতে পায় না এবং উদাসিনতা ও অজ্ঞতার চাদরে ঢাকা অন্তরগুলোও এই আহ্বান শোনা থেকে বঞ্চিত থাকে। এমন অনেক মানুষ আছে যারা সর্বকালীন এই বিশ্ব সম্মেলনে শামিল হওয়ার গৌরবোজ্জ্বল সুযোগ গ্রহণ করে না কিংবা যেকোনো কারণেই হোক এই সৌভাগ্য অর্জন থেকে বঞ্চিত থাকে।

আজ আপনারা এই মহা সৌভাগ্য অর্জন করেছেন এবং ঐশী আপ্যায়নের নিরাপদ উপত্যকায় পা রেখেছেন।  আরাফাত ও মাশআর ও মিনা, সাফা ও মারওয়া ও বেইত, মাসজিদুল হারাম ও মাসজিদুন্নবীসহ হজের এই আনুষ্ঠানিকতার প্রতিটি স্থান আধ্যাত্মিকতা ও আত্মার ঊর্ধ্বলোকে আরোহনের সুশৃঙ্খল বিন্যাসের অংশ। এই মহা সৌভাগ্যের মর্ম উপলব্ধি করে তা নিজেকে পবিত্র করার কাজে লাগান এবং জীবনের বাকি দিনগুলোর জন্য পাথেয় হিসেবে সংরক্ষণ করুন।

যে বিষয়টি প্রতিটি চিন্তাশীল মানুষকে অনুসন্ধিৎসু ও স্পর্শকাতর করে তোলে তা হচ্ছে, (হজের জন্য) সকল প্রজন্মের, সকল মানুষের ও প্রতিটি বছরের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ; যে স্থানে প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে সবাইকে একত্রিত হতে হয়।  স্থান ও কালের এই মিলন হচ্ছে হজের আনুষ্ঠানিকতার অন্যতম প্রধান রহস্য।  ‘যাতে তারা তাদের কল্যাণ প্রত্যক্ষ করে’ বলে কুরআনে যে কথা রয়েছে নিঃসন্দেহে তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হচ্ছে আল্লাহর ঘর সংলগ্ন স্থানে মুসলিম উম্মাহর এই বাৎসরিক মিলনমেলা। আল্লাহর ঘরের নীচে সমবেত হওয়ার এই মহা অনুষ্ঠান হচ্ছে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য বজায় থাকার রহস্য এবং ইসলামের উম্মত তৈরির কৌশল। আল্লাহর ঘর সকল মানুষের জন্য উন্মুক্ত। পবিত্র কুরআনের ভাষায়: আমি (এই ঘর) প্রস্তুত করেছি স্থানীয় ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্যে সমভাবে।

হজ একই স্থানে একটি নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিতভাবে প্রতিবছর স্পষ্ট ও যৌক্তিক ভাষায় মুসলমানদের ঐক্যের আহ্বান জানায়। কিন্তু এর বিপরীতে ইসলামের শত্রুরা সব সময়ই মুসলমানদের একে অপরের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা চালিয়েছে এবং এখনও একই কাজ করে যাচ্ছে।

আজ সাম্রাজ্যবাদী ও অপরাধী আমেরিকার আচরণের দিকে তাকান। ইসলাম ধর্ম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাদের তাদের মূল নীতি হলো যুদ্ধকামিতা। তাদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রটা হলো এমন যে, মুসলমানদের দিয়েই মুসলমানদের হত্যা করা। তারা মজলুমের বিরুদ্ধে জালিমদেরকে উসকানি দিচ্ছে, জালিমদের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে, জালিমদের দিয়ে মজলুমদের নির্মমভাবে দমন করাচ্ছে। ভয়ানক বিভেদের আগুনের তীব্রতা বাড়িয়ে তুলছে ও তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।

এ অবস্থায় মুসলমানদের অবশ্য সতর্ক থাকতে হবে এবং সতর্কতার মাধ্যমে এই শয়তানি নীতি ব্যর্থ করে দিতে হবে। হজ হচ্ছে এই সতর্ক হওয়ার ক্ষেত্র। এটিই হচ্ছে মুশরিক ও সাম্রাজ্যবাদীদের সঙ্গে বাবারাত বা সম্পর্কচ্ছেদের দর্শন।

হজের রুহ বা আত্মা হচ্ছে আল্লাহকে স্মরণ করা। আমাদেরকে সব সময় আল্লাহর এই রহমতের বৃষ্টির মাধ্যমে নিজেদের মনকে প্রফুল্ল ও প্রাণবন্ত করে তুলতে হবে। আল্লাহর প্রতি নির্ভরতা ও বিশ্বাস হচ্ছে শক্তি, মর্যাদা, ন্যায়পরায়নতা ও সৌন্দর্যের মূল উৎস। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও নির্ভরতাকে আমাদের মনে সুদৃঢ় করতে হবে। আর এভাবেই আমরা শত্রুর মোকাবেলায় বিজয়ী হতে পারব।

প্রিয় হাজিগণ, মুসলিম উম্মাহ এবং সিরিয়া, ইরাক, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, ইয়েমেন, বাহরাইন, লিবিয়া, পাকিস্তান, কাশ্মির ও মিয়ানমারসহ অন্যান্য অঞ্চলের মজলুমদের জন্য দোয়া করতে ভুলবেন না। আল্লাহর কাছে দোয়া করুন তিনি যেন আমেরিকাসহ সব সাম্রাজ্যবাদী এবং তাদের সমর্থকদের কালো হাত ভেঙে দেন।

‘ফিলিস্তিন নিয়ে ট্রাম্পের শয়তানি’

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)


তাঞ্জানিয়ায় ফেরি ডুবি, নিহত শতাধিক 
কাশ্মীরে ৩ পুলিশকে হত্যা করল গেরিলারা
নারী কন্ঠে ‘এসপি ভাবি’ সেজে ওসিদের সঙ্গে প্রতারণা!
স্টার জলসায় সিরিয়াল দেখতে গিয়ে...
নওগাঁয় প্রতারক চক্রের ৪ যুবতী ও তাদের সহযোগী আটক
‘ইরান নয়, সৌদি আরবই বিশ্বের জন্য হুমকি’
সব স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু ২৮ নভেম্বর
যেভাবে বুঝবেন হার্ড ডিস্ক নষ্ট হচ্ছে
ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল যুবকের
পাবনায় নৌকাডুবি: নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চলছে
মানব দেহেও রয়েছে সোনা!
মাথায় শোকের কালো কাপড় বেঁধে কারবালার স্মরণ
পেঁয়াজের ঝাঁজ কমলেও বেড়েছে মুরগির দাম
সড়কে প্রাণ হারালেন দুই ভাই
দেশে ফিরলেন পাচার হওয়া ৩ নারী
ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
বেনাপোলে অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক
তানজানিয়ায় ফেরি ডুবি, ৪৪ জনের মৃত্যু
ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি
রাঙামাটিতে দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত ২
তাঞ্জানিয়ায় ফেরি ডুবি, নিহত শতাধিক 
কাশ্মীরে ৩ পুলিশকে হত্যা করল গেরিলারা
নারী কন্ঠে ‘এসপি ভাবি’ সেজে ওসিদের সঙ্গে প্রতারণা!
স্টার জলসায় সিরিয়াল দেখতে গিয়ে...
নওগাঁয় প্রতারক চক্রের ৪ যুবতী ও তাদের সহযোগী আটক
‘ইরান নয়, সৌদি আরবই বিশ্বের জন্য হুমকি’
সব স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু ২৮ নভেম্বর
যেভাবে বুঝবেন হার্ড ডিস্ক নষ্ট হচ্ছে
রাজৈরে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল যুবকের
পাবনায় নৌকাডুবি: নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চলছে
চরমোনাই পীরের ওয়াজ মাহফিল পণ্ডের অভিযোগ
মানব দেহেও রয়েছে সোনা!
তাঞ্জানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহত ৪২
মাথায় শোকের কালো কাপড় বেঁধে কারবালার স্মরণ
পেঁয়াজের ঝাঁজ কমলেও বেড়েছে মুরগির দাম
সড়কে প্রাণ হারালেন দুই ভাই
দেশে ফিরলেন পাচার হওয়া ৩ নারী
ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
বেনাপোলে অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক
রাষ্ট্রপতির হাতে পুরস্কার পাওয়া ছাত্রীকে গণধর্ষণ!
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের স্টিকারযুক্ত মাইক্রোবাসে ৪ মণ গাাঁজা
নয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ করল বাবা!
বসুন্ধরা নিয়ে এল স্বাস্থ্য সহনীয় মশার কয়েল 'এক্সট্রিম'
কাবা শরীফের ভেতরে ঢুকলেন ইমরান খান(ভিডিও)
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ
আ.লীগ-বিএনপির ৪০০ নেতার শপথ
‘মন্ত্রীর পা ধরেও সড়কের কাজ শুরু করা যায় নি’
কুড়িগ্রামে কিশোর-কিশোরীর লাশ উদ্ধার
শিক্ষক হলেন হাছান মাহমুদ, পড়াবেন জাহাঙ্গীরনগরে
ইসরাইলকে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ওমরাহ ভিসায় সৌদি ভ্রমণে বিশেষ ছাড়
ব্রিজের রেলিং ভেঙে হাতিরঝিল লেকে প্রাইভেটকার
সুন্দরী তরুণীদের ধর্ষণ ও হত্যা করাই তার কাজ
ট্রাম্পের গোপন বিষয়ে ‘বোমা’ ফাটালেন স্টর্মি
বগুড়ায় ইয়াবাসহ চার বোন আটক
দুই স্কুল ছাত্রীকে বেত্রাঘাত 
ঘুমন্ত স্ত্রীর পাশেই ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়াটে গুণ্ডা দিয়ে মনুকে খুন করান স্ত্রী ও ছোট ভাই
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৯ দালাল আটক

সব খবর