২১ জানুয়ারী ,সোমবার, ২০১৯

শিরোনাম

> জীবনধারা

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

৩ সেপ্টেম্বর ,সোমবার, ২০১৮ ২২:২৮:৫৩

মানুষের আয়ু হবে দেড়শ বছর, পিল আবিস্কার!


মানুষের আয়ু হবে দেড়শ বছর, পিল আবিস্কার!

প্রতীকী ছবি


এবার বার্ধক্য ঠেকাতে আসছে পিল। যা খেলে একটি মানুষ কমপক্ষে দেড় শ বছর পর্যন্ত বাঁচবে বলে গবেষকরা দাবি করছেন।

এরকম একটি ওষুধ বা অমরত্ব-সুধা আবিস্কারের চেষ্টা চলছে বহু শত বছর ধরে। কিন্তু হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের এক গবেষণা যদি সফল হয়, তাহলে সেই স্বপ্ন খুব শীঘ্রই বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

গবেষকরা দাবি করছেন, এই বার্ধক্য প্রতিরোধী গবেষণা সফল হলে মানুষ দেড়শো বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। শরীরের বুড়িয়ে যাওয়া অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সেল বা কোষ ব্যবহার করে একেবারে নতুন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও তৈরি করা যাবে। আর ২০২০ সালের মধ্যেই হয়তো এই চিকিৎসা মানুষের ওপর প্রয়োগ করা যাবে।

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের এই যুগান্তকারী গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড. ডেভিড সিনক্লেয়ার। ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে তারা এর মধ্যে সফল হয়েছেন। এখন চেষ্টা চলছে, বার্ধক্য প্রতিরোধী এই চিকিৎসা মানবদেহে প্রয়োগ করা যায় কীনা।

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল গত মার্চে তাদের সাইটে প্রথম এই গবেষণার কথা প্রকাশ করে। গবেষক দলের প্রধান ড. ডেভিড সিনক্লেয়ার সেখানে নিজেই ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে এই বার্ধক্য ঠেকানোর চিকিৎসায় তারা সাফল্য দেখতে পাচ্ছেন।

‘আমাদের বয়স যখন বাড়ে, তখন আমাদের শরীরের ভেতর যেসব ছোট ছোট রক্তনালী আছে, সেগুলো বুড়িয়ে যেতে থাকে এবং এ পর্যায়ে একদম শুকিয়ে যায়। ফলে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে এবং পেশিকলায় রক্ত প্রবাহ অনেক কমে যায়। মানুষের শরীরের অনেক রোগ-ব্যাধির মূল কারণ কিন্তু এই রক্তনালীর বার্ধক্য’, বলছেন তিনি। বিশেষ করে বহু ধরণের হৃদরোগ, স্নায়বিক রোগ এটা থেকেই হয়।

কিন্তু হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের গবেষক দল ইঁদুরের ওপর গবেষণা চালিয়ে তাদের মধ্যে এই রক্তনালীর বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ শুধু নয়, সেটিকে ঘুরিয়ে দিতেও সক্ষম হয়েছেন। এই সাফল্যের মানে হচ্ছে, মানুষের অনেক ধরণের রোগ-ব্যাধির নিরাময় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এই গবেষণার একেবারে কেন্দ্রে আছে রক্তনালী এবং মাংসপেশির সম্পর্ক। মানুষের রক্তনালীর ভেতরের দেয়ালে আছে এনডোথেলিয়াল সেল বা কোষের আস্তরণ। রক্তনালীকে সজীব রাখতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই এনডোথেলিয়াল সেলের বয়স যত বাড়তে থাকে, মানুষের শরীরের রক্তনালী শুকিয়ে যেতে থাকে এবং এক পর্যায়ে একদম মরে যায়। ফলে শরীরের অনেক অংশেই রক্তপ্রবাহ কমে যায়। এর মানে হচ্ছে আমাদের শরীরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ এবং পেশির কার্যক্ষমতা কমে যায়।

মানুষ যখন নিয়মিত শরীর চর্চা বা ব্যায়াম করে, তখন এই প্রক্রিয়া কিছুটা থমকে দেওয়া যায়। কিন্তু সেটার একটা সীমা আছে। একটা বয়সের পর শরীর চর্চা করেও আর লাভ হয় না। রক্তনালীর মৃত্যু ঠেকানো যায় না।

‘আমরা এই রক্তনালীর বুড়িয়ে যাওয়ার রহস্য আসলে উদঘাটন করেছি এই গবেষণায়’, বলছেন ড. ডেভিড সিনক্লেয়ার।

এনএডি নামের একটি মলিকিউল এবং সার্ট-ওয়ান নামের একটি প্রোটিন মূলত এক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করে। রক্তনালীতে এই এনএডির মূল কাজ হচ্ছে সার্ট-ওয়ান এর উপস্থিতি বাড়ানো। আর সার্ট-ওয়ান রক্তনালী এবং পেশীকলার মধ্যে সংযোগ ঘটায়। কিন্তু বয়স যত বাড়ে, রক্তনালীর মধ্যে এই এনএডি এবং সার্ট-ওয়ান, দুটিই কমতে থাকে। ফলে রক্তনালী এবং মাংসপেশির মধ্যে যোগাযোগও কমতে থাকে।

ড. সিনক্লেয়ার এবং তার সহকর্মীরা ইঁদুরের ওপর যে গবেষণা চালিয়েছেন, সেখানে তারা এনএমএন নামের একটি রাসায়নিক যৌগ প্রয়োগ করেন ইঁদুরের দেহে। এই এনএমএন ইঁদুরের রক্তনালীতে এনএডি’র মাত্রা বাড়ায়। এর পরিণামে সার্ট-ওয়ান নামের প্রোটিনের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। ফলে ইঁদুরের রক্তনালীর এনডোফেলিয়াল সেলগুলো খুবই কর্মক্ষম থাকে। যা পেশিতে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে।

যেসব বয়স্ক ইঁদুরের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়, তাদের ক্ষেত্রে নাটকীয় সাফল্য পেয়েছেন গবেষকরা। তাদের শারীরিক সক্ষমতা ৮০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

ড. সিনক্লেয়ার বলছেন, যারা এখন বার্ধক্যের কারণে আর শরীরচর্চা করতে পারেন না, বা চলাফেরা করতে পারেন না, তাদের জন্য এই গবেষণা এক বিরাট পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, রক্তনালীর ভেতরে রক্ত চলাচল বাড়ানোর জন্য নতুন ধরনের ওষুধ আবিস্কার সম্ভব হবে এই গবেষণার ভিত্তিতে।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)


'দুর্নীতি মরণব্যাধির মতো ছড়িয়ে গেছে'
এমপি হতে চায় অপু বিশ্বাস!
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কোচিং বন্ধের নির্দেশ
ইউপি সদস্যের ঘরে স্ত্রীর লাশ
ট্রাকের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান নিহত
সিলেবাস দেওয়ার কথা বলে ছাত্রীকে ধর্ষণ!
ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন!
হুথিদের গুলিতে সৌদির ১৪ সেনা নিহত
হলি আর্টিজানের মামলায় রিপন ৫দিনের রিমান্ডে
‘আকাশ থেকে ঢাকা শহর চেনা যায় না’
লালপুরে পৌর কাউন্সিলর কে কুপিয়ে হত্যা
বন্ধ হলো শাহবাগ শিশুপার্ক
‘বিশ্বের কোনো দেশে নিখুঁত নির্বাচন হয় না’
নির্বাচনকে ‘জায়েজ’ করার উৎসব হাস্যকর: রিজভী
‘ইভিএম’ নয়, ‘চোর মেশিন’
মেঘনায় ট্রলারডুবি: সকালের পর ‍দুপুরের মিলল লাশ
মেঘনায় ট্রলারডুবি: একজনের লাশ উদ্ধার
‘মাদকসেবি’ চালকের কারণে নিহত ২৮
মাদকসেবি বহনকারী মাইক্রোবাস খাদে, নিহত ৪
টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত
শিক্ষিকার মাদক ব্যবসায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
প্রধানমন্ত্রীকে ওআইসি মহাসচিবের অভিনন্দন
কবিরহাটে ধর্ষণের ঘটনায় আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী
নৌবাহিনীর প্রধান হলেন আওরঙ্গজেব
প্রধানমন্ত্রীকে এরদোগানের শুভেচ্ছা
নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক সোমবার
সেচের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
আ.লীগের মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে মাননববন্ধন 
'নির্বাচনের অভিযোগ তদন্তের এখতিয়ার জাতিসংঘের নেই'
পিরোজপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পূর্ণ  
'দুর্নীতি মরণব্যাধির মতো ছড়িয়ে গেছে'
এমপি হতে চায় অপু বিশ্বাস!
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কোচিং বন্ধের নির্দেশ
ইউপি সদস্যের ঘরে স্ত্রীর লাশ
ট্রাকের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান নিহত
সিলেবাস দেওয়ার কথা বলে ছাত্রীকে ধর্ষণ!
ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন!
হুথিদের গুলিতে সৌদির ১৪ সেনা নিহত
হলি আর্টিজানের মামলায় রিপন ৫দিনের রিমান্ডে
‘আকাশ থেকে ঢাকা শহর চেনা যায় না’
অবতরণের সময় বিমান বিধ্বস্ত!
বিয়ে করলেন সঙ্গীতশিল্পী সালমা
‘গরীবের ডাক্তার’ ডা. রাকিবুল ইসলাম লিটু আর নেই
‘‌সৌদিতে সংস্কার না হলে বিপ্লব ঘটবে’
মায়ের লাশ বাইসাইকেলে বেঁধে একা ছেলে!
ছেলে সন্তানের মা হলেন টিউলিপ
প্রতিমন্ত্রী পলকের ঘোষণার ২৪ ঘণ্টায় চাঁদাবাজি বন্ধ
অস্ত্র কারখানার সন্ধান, স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৩
বাসায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অহনা
ইরান-রাশিয়া-চীনকে নিয়ে উদ্বেগে ট্র্রাম্প
বেতন কাঠামো প্রত্যাখ্যান, ফের বিক্ষোভে শ্রমিকরা
ব্রেক্সিট ভোট দিয়েছেন অন্তঃসত্ত্বা টিউলিপ
টিআইবির অভিযোগ লজ্জাকর: নূরুল হুদা
এরশাদের অবর্তমানে কে পাচ্ছেন দলের দায়িত্ব!
‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল আসামি’
স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণ করল ৫ যুবক
হুথিদের গুলিতে সৌদির ১৪ সেনা নিহত
ধনী বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ তৃতীয়!
'ওয়ার্নারের সঙ্গে আমার ‘ঝগড়া’ গুরুতর কিছু নয়'
চীনের ‘মহাপ্রাচীর’ ঠেকাবে হাইপারসনিকের হামলা

সব খবর