২০ অক্টোবর ,শুক্রবার, ২০১৭

শিরোনাম

> বাংলাদেশ

>> আইন-বিচার

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

১২ অক্টোবর ,বৃহস্পতিবার, ২০১৭, ১০:১০:৩৭

Ads

অবশেষে আটক সেই রফিক


Not Found

প্রতীকী ছবি


তথ্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষকে হয়রানি ও বিভিন্ন ধরণের জঙ্গি ও সন্ত্রাসী তৎপরতার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম ওরফে কাজী রফিক মিয়া (৩৯) নামে একজনকে আটক করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। গতকাল বুধবার তাকে র‌্যাব আটক করে ভাটারা থানায় সোপর্দ করে। তার বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় মামলা ও জিডি রয়েছে। তাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রফিক মিয়ার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের আলীনগরে। তার পিতার নাম মৃত কাজী গোলাম হোসেন। তার বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে মদত দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ভাটারা থানায় আইসিটি অ্যাক্ট ৫৭ (২)/২০০৬ ধারায় তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা নম্বর ১৯।

পুলিশ জানায় তিনি কোথাও রফিকুল ইসলাম, কোথাও মো. রফিক আবার কোথাও কাজী রফিক মিয়া নামে পরিচিত। এই সবগুলো নামেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওর থানায়ও তার বিরুদ্ধে একটি জিডি (নম্বর-৮৫৬) নথিভুক্ত হয়। তাতে ভুক্তভোগী তায়েবুর রহমান টিপু নামে একজন অভিযোগ করেন, কাজী রফিক মিয়া এলাকায় নিজেকে কখনো যোগাযোগ মন্ত্রী, কখনো স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আবার কখনো স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন। বিভিন্নজনকে হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি তার পরিবারকেও মুঠোফোনের খুদে বার্তায় প্রাণনাশসহ মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়েছেন। তিনি কখনো আবার সেনাবাহিনী, কখনো পুলিশ আবার কখনো সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সখ্যতা আছে বলেও প্রচার করছেন।

খোঁজ নিতে গিয়ে একই থানায় (ঘিওর) তার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের আরও দু'টি অভিযোগ পাওয়া যায়। ওই দুই অভিযোগের প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে জানা যায়, ওই বছরের ১১ আগস্ট রাতে খাগ্রাটা গ্রামে সরকারি রাস্তার পাশে মো. রফিক আরও দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে মো. শাহানুর আলম নামে একজনকে  শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। তাকে আঘাত করে স্বর্ণের চেইনসহ বিভিন্ন জিনিস ছিনিয়ে নেন এবং ভীতি প্রদর্শন করেন। অপর অভিযোগের প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩ জানুয়ারি রাত ১২ টার দিকে ঘিওর থানাধীন সিংজুরী ইউনিয়নস্থ চর মাইজখাড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের টিনসেড বিল্ডিং ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে আগুন দেন।

পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে শুধু মানিকগঞ্জের বিভিন্ন থানায়ই নয়, ঢাকার বিভিন্ন থানায় প্রতারণা, ছিনতাই, জনহয়রানি, জঙ্গিবাদে মদত দেওয়াসহ নানা অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাকে অনেকদিন ধরেই খুঁজছিল পুলিশ।