২৩ জানুয়ারী , বুধবার, ২০১৯

শিরোনাম

> প্রবাস

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

৭ নভেম্বর ,মঙ্গলবার, ২০১৭ ২০:০৯:০৭

ভারতে সন্ন্যাসিনী ধর্ষণে বাংলাদেশি যুবক দোষী সাব্যস্ত


ভারতে সন্ন্যাসিনী ধর্ষণে বাংলাদেশি যুবক দোষী সাব্যস্ত

সংগৃহীত ছবি


ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রানাঘাটে একটি কনভেন্ট স্কুলের সন্ন্যাাসিনীকে ধর্ষণের ঘটনায় এক বাংলাদেশি যুবককে দোষী সাব্যস্ত করেছে কলকাতার নগর দায়রা আদালত। ওই বাংলাদেশির নাম নজরুল ইসলাম ওরফে নাজু (২৯)।

মঙ্গলবার কলকাতা নগর দায়রা আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা হাকিম কুমকুম সিনহা এই রায় ঘোষণা করেন। 

এর পাশাপাশি ওই কনভেন্ট স্কুলে লুট ও তান্ডব চালানোর অভিযোগে চার বাংলাদেশিসহ পাঁচ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। তারা হলেন মিলন সরকার, ওহিদুল ইসলাম, মোহম্মদ সেলিম শেখ, খালেদা রহমান ওরফে ফারুক (সকলেই বাংলাদেশি) ও গোপাল সরকার (ভারতীয়)। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে সীমান্ত পেরিয়ে হাবড়ার বাসিন্দা গোপাল সরকারের বাড়িতে আশ্রয় নেয় ওই বাংলাদেশিরা। তার বাড়িতে বসেই ওই কনভেন্ট স্কুলে ডাকাতি ও লুঠের পরিকল্পনা করা হয়। যদিও গোপালও এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলে জানতে পেরেছে তদন্তকারী কর্মকর্তারা। ২০০২ সালে গোপালও সীমান্ত পেরিয়ে হাবড়ায় বসবাস শুরু করে। আগামীকাল বুধবার দোষী ব্যক্তিদের সাজা ঘোষণা করা হবে।

এদিন রায় প্রদান করতে গিয়ে বিচারক জানান, সন্ন্যাসিনীর সঙ্গে যা হয়েছে তা খুবই লজ্জাজনক।

তবে গণর্ধষণ নয়, তাঁকে একজন ব্যক্তিই ধর্ষণ করেছিলেন। নির্যাতিতার মেডিকেল রিপোর্ট, সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক রিপোর্ট ও সাক্ষ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখেই এই রায় দেওয়া হয়েছে। 

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৪ মার্চ রাতে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার রানাঘাটে ডন বসকো পাড়ায় কনভেন্ট স্কুলে ডাকাতি ও লুঠের পাশাপাশি স্কুলের ৭১ বছরের এক বৃদ্ধা সন্ন্যাসিনীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। প্রথমে জেলা পুলিশ ওই মামলার তদন্ত শুরু করলেও পরে রাজ্য সরকারের নির্দেশে তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডি’কে। জানা যায় ওইদিন রাত ১ টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত কনভন্ট স্কুলে সাত দুর্বৃত্ত তাণ্ডব চালায়। স্কুলের নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করে ক্যাশ বাক্স ভেঙে ১২ লাখ রুপি লুঠ করার পাশাপাশি আরও কিছু মূল্যবান জিনিস চুরি করে। চুরির সময় বাধাপ্রাপ্ত হয়েই সন্ন্যাসিনীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকি স্কুলের রান্না ঘর থেকে খাবার চুরি করেও তারা খায়। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজে তাদের সেই কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন ছবি ধরাও পড়ে যায়। অপরাধ ঘটিয়েই তারা প্রত্যেকেই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে গিয়ে গা ঢাকা দেয়।  

তদন্তে নেমে ছয় মাসের মধ্যেই অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে ছয় জনকে আটক করে সিআইডি। এক অভিযুক্ত এখনও পলাতক। ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রানাঘাট মহকুমা আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। যদিও নিরাপত্তার কারণেই ২০১৬ সালের মে মাসে হাই প্রোফাইল মামলাটি রানাঘাট মহকুমা আদালত থেকে স্থানান্তরিত করলকতা নগর দায়রা আদালতে। এরপর থেকে গত দেড় বছর ধর সেখানেই মামলা চলে। গত ৩০ অক্টোবর আদালতের দরজা বন্ধ কক্ষে এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ হয়। মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর এদিন রায় ঘোষণা করল বিচারক। এই রায়কে কেন্দ্র করে কোনরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল গোটা আদালত চত্বর।

তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজয় কুমার যাদব জানান, ‘প্রথমে মামলাটির তদন্তভার নেয় জেলা পুলিশ, একদিন পরেই সিআইডি’কে দেওয়া হয়। আমরা তদন্ত শুরু করি এবং অভিযুক্তদের চিহ্নিত করি। তাদের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি নাগরিক। পরে তাদের আটক করা হয়। এরপর উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিই। আদালতে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আমরা চাই দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক’।

আড়াই বছর আগেকার ওই বর্বরতার খবরে পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, গোটা দেশ এমনকী বিদেশেও তোলপাড় পড়ে যায়। ভ্যাটিক্যান সিটি থেকে স্বয়ং পোপের প্রতিনিধিরা রানাঘাটে এসে নির্যাতিতা সন্ন্যাসিনীর সাথে দেখা করেন। পরবর্তীতে অবশ্য দিল্লির একটি নিরাপদ স্থানে ওই সন্ন্যাসিনীকে নিয়ে যাওয়া হয়।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ওই ঘটনার নিন্দা জানান এবং সিআইডি’কে দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। সেসময় ওই স্কুলে যাওয়ার পথে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িবহরের সামনে বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতা। পরে গাড়ি ঘুরিয়ে হাসপাতালে গিয়ে ওই নির্যাতিতা সন্ন্যাসিনীর সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী।  


আবারও হেরে গেল ঢাকা!
'এসএসসি পরীক্ষা আমাদের জন্যও একটা পরীক্ষা'
এরশাদের সুস্থ অবস্থা এখন অনেকটা ভাল
নির্যাতিত গৃহবধূকে উদ্ধার করলেন ইউএনও!
গণধর্ষণের ঘটনায় তিন আসামির চারদিনের রিমান্ডে
মান্দায় বনগরু আটক করেছে গ্রামবাসী
পর্ণগ্রাফি ছবি দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি
'ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি'
ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলছে যানবাহন!
সুনামগঞ্জ বিজিবি কর্তৃক মাদকদ্রব্য ধ্বংস!
'বিআরটিসিতে কার কত ইনকাম আমি ভালো করে জানি'
'বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে হবে নতুন রেলসেতু'
'সময় থাকতে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন' 
জাজিরা প্রান্তে যাচ্ছে পদ্মাসেতুর ষষ্ঠ স্প্যান!
'উন্নয়নশীল হয়েছি, উন্নত দেশের কাতারে যেতে হবে'
বাস-ট্যাংকার সংঘর্ষ, নিহত ২৬
জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ১৫ বাড়িতে অভিযান!
শেষ স্ট্যাটাসে ‘আমাকে যেন ভুলে না যাও...’
‘আমার সারাদেহ খেয়ো গো মাটি’
আবারও হেরে গেল ঢাকা!
'এসএসসি পরীক্ষা আমাদের জন্যও একটা পরীক্ষা'
আ.লীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষে, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ১০
এরশাদের সুস্থ অবস্থা এখন অনেকটা ভাল
নির্যাতিত গৃহবধূকে উদ্ধার করলেন ইউএনও!
গণধর্ষণের ঘটনায় তিন আসামির চারদিনের রিমান্ডে
র‌্যাবের হাতে ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যাবসায়ী আটক
মান্দায় বনগরু আটক করেছে গ্রামবাসী
পর্ণগ্রাফি ছবি দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি
'ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি'
ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলছে যানবাহন!
সুনামগঞ্জ বিজিবি কর্তৃক মাদকদ্রব্য ধ্বংস!
'বিআরটিসিতে কার কত ইনকাম আমি ভালো করে জানি'
'বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে হবে নতুন রেলসেতু'
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে রিট!
সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার
টস জিতে ফিল্ডিং করছে রংপুর
'সময় থাকতে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন' 
ট্রাক ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত
বিয়ে করলেন সঙ্গীতশিল্পী সালমা
মান্দায় বনগরু আটক করেছে গ্রামবাসী
‘গরীবের ডাক্তার’ ডা. রাকিবুল ইসলাম লিটু আর নেই
‘‌সৌদিতে সংস্কার না হলে বিপ্লব ঘটবে’
মায়ের লাশ বাইসাইকেলে বেঁধে একা ছেলে!
ছেলে সন্তানের মা হলেন টিউলিপ
অস্ত্র কারখানার সন্ধান, স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৩
বাসায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অহনা
হুথিদের গুলিতে সৌদির ১৪ সেনা নিহত
ইরান-রাশিয়া-চীনকে নিয়ে উদ্বেগে ট্র্রাম্প
বন্ধ হলো শাহবাগ শিশুপার্ক
এমপি হতে চায় অপু বিশ্বাস!
'বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে হবে নতুন রেলসেতু'
ব্রেক্সিট ভোট দিয়েছেন অন্তঃসত্ত্বা টিউলিপ
এরশাদের অবর্তমানে কে পাচ্ছেন দলের দায়িত্ব!
টিআইবির অভিযোগ লজ্জাকর: নূরুল হুদা
স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণ করল ৫ যুবক
‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল আসামি’
শিক্ষিকার মাদক ব্যবসায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
সঙ্গীত শিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই!

সব খবর