২৫ সেপ্টেম্বর ,মঙ্গলবার, ২০১৮

শিরোনাম

> অন্যান্য >>

>> ধর্ম-জীবন

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

২৪ এপ্রিল ,মঙ্গলবার, ২০১৮ ২২:০৬:৫৫

‘ইসলামের মধ্যে জীবনের অর্থ খুঁজে পেয়েছি’


‘ইসলামের মধ্যে জীবনের অর্থ খুঁজে পেয়েছি’


জার্মান নও-মুসলিম নারী ‘ক্যাথেরিন হুফার’-এর মুসলমান হওয়ার কাহিনী এবং ইসলাম সম্পর্কে তার কিছু বক্তব্য তুলে ধরা হলো:

ইসলামের বিরুদ্ধে নানা প্রচারণা, ষড়যন্ত্র এবং সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ সত্ত্বেও এই ধর্মের অগ্রগতি দিনকে দিন বাড়ছে। বর্তমানে ইসলাম ইউরোপসহ পাশ্চাত্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। ইসলামের শিক্ষাগুলোই পাশ্চাত্যেরদ মানুষকে এ ধর্মের দিকে আকৃষ্ট করছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। যেমন, মুসলমানদের উন্নত সামাজিক জীবন, ভ্রাতৃত্ব ও সব ধরনের বৈষম্য বা অন্যায় বিরোধী অবস্থান পশ্চিমাদেরকে এ ধর্মের দিকে আকৃষ্ট করছে। নারীর প্রতি ইসলামের সম্মানজনক স্বীকৃতি পাশ্চাত্যের শিক্ষিত নারী সমাজকেও আকৃষ্ট করছে এই মহান ধর্মের দিকে। এইসব নারী ব্যাপক গবেষণার মাধ্যমেই এ ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তাদের কেউ কেউ গবেষণা প্রতিষ্ঠানেরই কর্মী ছিলেন।

গবেষণার মাধ্যমে ইসলামের সত্যতাকে উপলব্ধি করে এই ধর্ম গ্রহণ করেছেন এমন নারীদের মধ্যে জার্মান নারী ক্যাথেরিন হুফারও অন্যতম। এই নারী বলেছেন:

আমার জন্ম ১৯৬৮ সালে জার্মানির স্টুটগার্ট শহরে এক ক্যাথলিক পরিবারে। আমার পরিবার খ্রিস্ট ধর্মের অনুষ্ঠানগুলো পালনকে বেশ গুরুত্ব দিত। প্রতি রোববার গির্জার প্রার্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দিত। কিন্তু আমি যখন ১৪ বছর বয়সে পা দেই তখন দেখলাম, ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো পালনে আমার কোনো আগ্রহ নেই। আর ধর্ম বিষয়ে যেসব জ্ঞান অর্জন করতাম সেগুলোকে আধুনিক বা বর্তমান জীবন-যাত্রার সঙ্গে মিলাতে পারতাম না। এইসব জ্ঞান আমার কাছে বোধগম্য ছিল না। ধর্মীয় বিষয়ের প্রতি আগ্রহহীনতার কারণে কিছুকাল এক জ্যোতিষী বা গণকের কাছে যেতাম। কিন্তু সেই গণক আমার আধ্যাত্মিক চাহিদার কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। কয়েক বছর পর আমি একজন মুসলমানের সঙ্গে পরিচিত হই। তার চিন্তাধারা ও জীবন-যাপনের পদ্ধতি আমাকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করে। ফলে এ ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য সক্রিয় হয়ে উঠি।

ইসলাম সম্পর্কে কিছুকাল পড়াশোনার পর এ ধর্মের প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করতে থাকেন জার্মান নওমুসলিম নারী ক্যাথেরিন হুফার। এ অবস্থায় তিনি হিজাব ও নামাজ সম্পর্কে গবেষণা করতে থাকেন। এসব বিষয়ে কিছুদিন গবেষণার পর মিসেস হুফার ইসলামের প্রতি ঈমান আনেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন:

যখন হিজাব পরলাম তখন আগের চেয়েও বেশি নিরাপত্তা অনুভব করলাম। হিজাব আমাকে ব্যক্তিত্ব ও বিশেষ মর্যাদা দান করে। কিন্তু যখন আমার মা আমাকে হিজাব-পরা অবস্থায় দেখলেন তখন তিনি অসন্তুষ্ট হলেন। এর বিরোধিতা করলেন। আমি মাকে খুব ভালোবাসতাম বলে ইসলামের গণ্ডীর মধ্যে থেকেই কিছু সময় পর্যন্ত হিজাবহীন থাকব বলে মনে মনে সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু আমার বিবেক আমাকে এ কাজে বাধা দিল। ফলে নিজের মধ্যেই শুরু হল দ্বন্দ্ব। প্রায় এক বছর পর হিজাব পরিহিতা দুজন জার্মান নও-মুসলিমের দেখা পেলাম। নানা সমস্যা ও বাধা সত্ত্বেও হিজাব রক্ষার ব্যাপারে তাদের বেপরোয়াভাব দেখে বিস্মিত হলাম। আমি অন্তর থেকে তাদের বেশ প্রশংসা করলাম। ফলে আমি আবারও হিজাবের মধ্যে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ হলাম। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহর সাহায্য চেয়ে ও তার ওপর ভরসা করে বেশ দৃঢ়তার সঙ্গে হিজাব পরলাম। মহান আল্লাহর স্মরণ এবং তার সহায়তা আমাকে জুগিয়েছে জোরালো আত্মবিশ্বাস ও মনোবল। আমার মা যখন আমার দৃঢ়-প্রতিজ্ঞা ও অনমনীয়তার বিষয়টি দেখলেন তখন তিনি বিরোধিতা বন্ধ করে ব্যাপারটিকে মেনে নিলেন।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পরের অনুভূতি প্রসঙ্গে হুফার বলেছেন:

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর আগের চেয়েও বেশি প্রশান্তি অনুভব করলাম। কারণ, আমি এখন এই বিশ্ব জগতের স্রস্টার ওপর নির্ভর করছি। তার ওপর বিশ্বাস রাখছি। আমার জীবনে এখন রয়েছে স্পষ্ট লক্ষ্য। তাই ব্যক্তিগতভাবে খুবই প্রশান্তি ও আস্থা অনুভব করছি। এখন বিশ্ব জগতের স্রস্টা সম্পর্কে আমার বিশ্বাস ও জ্ঞান অনেক বেশি পরিপূর্ণ। আমি বুঝতে পেরেছি যে, জীবনের পরিপূর্ণ কল্যাণ রয়েছে ঐশী নবী-রাসূলগণের নির্দেশ মানার মধ্যেই। ইসলামকে জানতে পারায় আমি এখন জীবনের গভীর অর্থ ও লক্ষ্য খুঁজে পেয়েছি। আমার জীবন এখন বস্তুবাদীদের জীবনের মত অর্থহীন নয়। দুঃখজনকভাবে পশ্চিমাদের সমাজ জীবনের ওপর ধর্মের খুব কম প্রভাব রয়েছে। আসলে পাশ্চাত্যে ও বিশেষ করে আমেরিকায় ধর্ম তার অর্থ হারিয়ে ফেলেছে। অথচ মুসলমানরা ব্যক্তিগত ও সামাজিক দিক থেকে পশ্চিমাদের চেয়ে অনেক ভিন্ন। কারণ, তারা কুরআনের এ বাক্যটিতে বিশ্বাসী যেখানে বলা হয়েছে- প্রত্যেক মুসলমান হল ভাই ভাই। তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক খুবই হৃদ্যতা ও আন্তরিকতাপূর্ণ। (সুরা হুজুরাত-১০) তারা একে-অপরকে দেখতে যায় এবং বন্ধু ও প্রতিবেশীদের সমস্যাগুলোর সমাধান করে।

জার্মান নওমুসলিম নারী ক্যাথেরিন হুফার ইসলাম প্রচারের পদ্ধতি ও বিশ্বের মুসলমানদের অবস্থা প্রসঙ্গে বলেছেন:

বই-পুস্তক পড়ে সত্যকে জানা যায়। কিন্তু ইসলাম প্রচারের আরেকটি পদ্ধতি হল আমল তথা বাস্তবে ধর্মের চর্চা বা অনুশীলন। কথা কখনও কাজের চেয়ে বেশি কার্যকর নয়। মুসলমানরা যেসবে বিশ্বাস করে তা যদি বাস্তবে চর্চা করে তাহলে বিশ্বের অন্যদের ওপর তার প্রভাব হবে অনেক বেশি। দুঃখজনকভাবে মুসলমানরা এখন অনেক সংকটের শিকার। পাশ্চাত্য ইসলামের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে। এটা জানে যে ইসলাম এগিয়ে গেলে অনেকেই এতে আকৃষ্ট হবে। তাই পাশ্চাত্য নানা কূট-কৌশলে ইসলামের অগ্রগতিকে ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমার বিশ্বাস, মুসলমানরা যদি একে-অপরকে সাহায্য করে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে তারা শত্রুদের মোকাবেলায় বিজয়ী হবে।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)


জঙ্গি ও পাক সেনাদের সংঘর্ষে নিহত ১৬
দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশায় ট্রাক ধাক্কা নিহত ৪
ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছে শাহজাদ
ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ হলেন মদ্রিচ
রোহিঙ্গা সংকটে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর তিন দফা
রাজধানীতে ৩ দিনব্যাপী বিমান ট্যুরিজম ফেস্ট
‘পাকিস্তান পরাশক্তির কাছে মাথানত করে না’
ট্রেনের ছাদ থেকে ছাত্রকে ফেলে দিল দুর্বৃত্তরা
তাপে পাকানো হয় কদবেল, নষ্ট হচ্ছে গুণাগুণ!
‘জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই’
‘দলের শৃঙ্খলা ভাঙলে বরদাশত করা হবে না’
নেত্রকোনায় মাথাবিহীন শিশুর জন্ম!
ট্রাম্পের কথা রাখল না ওপেক
বাগানে মিলল দু’মাথাওয়ালা সাপ
সাগরে ভেসে ৪৯ দিন বেঁচে ছিল এই তরুণ
মোটরসাইকেলে ওড়না পেঁচিয়ে আ.লীগ নেত্রীর মৃত্যু
‘বাবার মৃত্যু ক্রিকেট ক্যারিয়ার পাল্টে দিয়েছে’
গাংনীতে আড়াই বছরের শিশু ধর্ষণ!
সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত ৩,৩০০
‘রুহানির সঙ্গে বৈঠক করতে চান ট্রাম্প’
ইসরাইলি সেনার গুলিতে ফিলিস্তিনি যুবক নিহত
জঙ্গি ও পাক সেনাদের সংঘর্ষে নিহত ১৬
দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশায় ট্রাক ধাক্কা নিহত ৪
ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছে শাহজাদ
প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে কেবিন ক্রুর মদপান
ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ হলেন মদ্রিচ
রোহিঙ্গা সংকটে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর তিন দফা
রাজধানীতে ৩ দিনব্যাপী বিমান ট্যুরিজম ফেস্ট
‘পাকিস্তান পরাশক্তির কাছে মাথানত করে না’
ট্রেনের ছাদ থেকে ছাত্রকে ফেলে দিল দুর্বৃত্তরা
তাপে পাকানো হয় কদবেল, নষ্ট হচ্ছে গুণাগুণ!
‘জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই’
‘দলের শৃঙ্খলা ভাঙলে বরদাশত করা হবে না’
নেত্রকোনায় মাথাবিহীন শিশুর জন্ম!
ট্রাম্পের কথা রাখল না ওপেক
বাগানে মিলল দু’মাথাওয়ালা সাপ
সাগরে ভেসে ৪৯ দিন বেঁচে ছিল এই তরুণ
মোটরসাইকেলে ওড়না পেঁচিয়ে আ.লীগ নেত্রীর মৃত্যু
‘বাবার মৃত্যু ক্রিকেট ক্যারিয়ার পাল্টে দিয়েছে’
গাংনীতে আড়াই বছরের শিশু ধর্ষণ!
কাবা শরীফের ভেতরে ঢুকলেন ইমরান খান(ভিডিও)
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ
শিক্ষক হলেন হাছান মাহমুদ, পড়াবেন জাহাঙ্গীরনগরে
‘মন্ত্রীর পা ধরেও সড়কের কাজ শুরু করা যায় নি’
‘দলের শৃঙ্খলা ভাঙলে বরদাশত করা হবে না’
কুড়িগ্রামে কিশোর-কিশোরীর লাশ উদ্ধার
ইসরাইলকে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ওমরাহ ভিসায় সৌদি ভ্রমণে বিশেষ ছাড়
প্রধান শিক্ষকের নির্যাতনে শিক্ষার্থী অজ্ঞান!
ট্রাম্পের গোপন বিষয়ে ‘বোমা’ ফাটালেন স্টর্মি
সুন্দরী তরুণীদের ধর্ষণ ও হত্যা করাই তার কাজ
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৯ দালাল আটক
রোববার চালু হচ্ছে সিম্ফোনির কারখানা 
এক অবিশ্বাস্য জয় এনে দিলেন মোস্তাফিজ
যেসব নারীকে বিবাহ করা হারাম
সন্তান জন্ম দিয়ে বিপাকে প্রবাসীর স্ত্রী
নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন সেই খুনি শম্ভুলাল(ভিডিও)
ইরানে সামরিক কুচকাওয়াজে হামলায় নিহত বেড়ে ২৪
‘নারীর লজ্জাস্থানে মাদকের কারবার’
নওগাঁয় প্রতারক চক্রের ৪ যুবতী ও তাদের সহযোগী আটক

সব খবর