২০ সেপ্টেম্বর ,বৃহস্পতিবার, ২০১৮

শিরোনাম

> বিশেষ প্রতিবেদন

 

শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ্ • নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ মে ,বৃহস্পতিবার, ২০১৮ ২০:৪০:৪৯

মুড়মুড়ে শব্দে মুখরিত মুড়িপল্লী বারতোপা


মুড়মুড়ে শব্দে মুখরিত মুড়িপল্লী বারতোপা


বছর ঘুরে রমজান মাস আসলেই ব্যস্ততা বেড়ে যায় গ্রামের বধুদের। বাঙালিদের ইফতারির প্রধান অনুষঙ্গ মুড়ি তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পরে তারা।যান্ত্রিক সভ্যতার এ যুগে হাতের ছোঁয়া ছাড়াও অধিকাংশ মুড়ি তৈরি হয়ে থাকলেও এখনও কদর রয়েছে হাতে ভাজা মুড়ির। 

ক্রেতাদের পছন্দের প্রতি সম্মান জানিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতা সত্বেও বছরের পর বছর ধরে এখনও টিকে রয়েছে গাজীপুরের শ্রীপুরের বারতোপা গ্রামের হাতে ভাঁজা মুড়ি  শিল্প।

আজ দুপুরে বারতোপায় ঢুকতেই দেখা মিললো গ্রামের মানুষদের ব্যস্ততা। কেউ লাকড়ি কুড়াচ্ছেন, কেউ মুড়ির চাল শুকাচ্ছেন, কেউবা মাটির খোলায় চালে উত্তাপ দিচ্ছেন। গরম বালুর পরশে তা মুড়মুড় করে ফুটে তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু মুড়ি।প্রতিটি বাড়িতে মুড়ি তৈরির ব্যস্ততা বলে দিচ্ছে এ যেন মুড়িরই গ্রাম। মুড়ি ফোটার শব্দের সাথে যেন জীবনের ছন্দ জড়িয়ে আছে তাদের।

সারা বছর এই গ্রামের নানাজন নানা ধরনের কাজ করলেও রমজান আসার আগেই নারী-পুরুষরা মুড়ি তৈরির কাজে লেগে যান। ক্রেতাদের বিষমুক্ত মুড়ি সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জীবিন ও জীবিকার তাগিদে তারা এ পেশায় জড়িত হন। নারীরা চাল শুকানো থেকে ভাজার কাছ করে থাকেন। আর পুরুষরা সেসব বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেন। সনাতন প্রক্রিয়ায় হাতে ভাজা মুড়ি যেন তাদের জীবনেরও একটা অনুষঙ্গ। 

হাতে ভাজা মুড়ির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- এতে কোন ধরনের রাসায়নিক উপাদান প্রয়োগ করা হয়না।। শুধু চাউলে সামান্য লবণ পানি মিশিয়ে তা ভেজে গরম বালুতে ছেড়ে দেয়া হয়। আর এতেই মুহূর্তের মধ্যে তৈরি হয়ে যায় সাদামুড়ি।

বারতোপা গ্রামের গৃহবধু জমিলা খাতুন নিউজ টোয়েন্টিফোরকে জানান, তারা বংশানুক্রমিকভাবে মুড়ির তৈরির মাধ্যমে জীবিকা চালিয়ে আসছেন। কিন্তু যান্ত্রিক সভ্যতার এ যুগে তাদের সনাতনী পদ্ধতি এখন প্রায় অচল। তবে তাদের তৈরি মুড়িতে কোন বিষাক্ত পদার্থ না থাকায় সচেতন লোকদের মধ্যে বিক্রি করা যায়। 

বাজারে যেখানে সাধারণ মুড়ি ৬০ টাকায় পাওয়া যায়, সেখানে তাদের হাতে তৈরি মুড়ি বিক্রি হয় ১শ টাকায়।

জমিলার প্রতিবেশী আব্দুস সাত্তারের ভাষ্য, নানা কারণে এই গ্রামের অনেকেই এ পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। ‘বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে আসায় এখন আর আমরা টিকতে পারছি না। তবে পেশার মায়ায় এখনও কোনভাবে টিকে রয়েছি’ বলে জানান সাত্তার।

গ্রামের আরেক গৃহবধু কমলা আক্তার জানান, এখানেও রয়েছে মধ্যস্বত্বভোগীদের আনাগোনা। গ্রামের অনেকেই হতদরিদ্র, বিধায় যাদের পুঁজি নেই তারা অনেকেই মহাজনদের সাথে মুড়ি ভাজার চুক্তি করেন।মহাজনরা শুধু ধানের যোগান দিয়ে থাকেন। বাকি সব উপকরণ মুড়ি তৈরির কারিগরদের দিতে হয়। ৬ মন ধানের মুড়ি ভেজে দিলে কারিগরদের দেয়া হয় ৩ হাজার টাকা।

সত্তোরোর্ধ্ব আয়েশা আক্তারের অভিমত, বাজারে বড় ও ধবধবে মুড়ির চাহিদা বেশি। তাই অনেক কারিগর লবণের বদলে ইউরিয়া ও হাইড্রোজ মিশিয়ে মুড়ি ভেজে থাকেন। ফলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে হাতে ভাজা মুড়ির স্বাদ। তবে তাদের তৈরি মুড়িতে কোন বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয় না, যা প্রয়োগ করা হয় কারখানাগুলোতে। 

একই এলাকার সোহরাব হোসেন জানান, তিনি বিগত ২৪ বছর ধরে রমজান উপলক্ষে মুড়ি তৈরি করছেন। কিন্তু এখন আর এতে তেমন লাভ হয়না। তবুও ক্রেতাদের অনুরোধে তিনি গত সাতদিন ধরে স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে মুড়ি তৈরি করছেন।

শ্রীপুর মিজানুর রহমান মহিলা কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান ইকবালের মতে,বর্তমান বাজারে যে ধবধবে সাদা মুড়ি পাওয়া যায় তার অধিকাংশতেই রাসায়নিকের মিশ্রণ রয়েছে, যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। তবে সনাতন পদ্ধতিতে হাতে ভাজা মুড়িতে বিষের প্রয়োগ না থাকায় সচেতন মানুষের মধ্যে এর ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বারতোপা বাজারের মুড়ির আড়ৎদার মহর আলীর জানান, বছর পাচেঁক আগেও এই গ্রামের শতাধিক পরিবারের অন্যতম জীবিকা ছিল মুড়িকে কেন্দ্র করে। সময়ের বিবর্তনে এখন তা অর্ধেকে নেমে এসেছে। তিনি বিভিন্নভাবে মুড়ির কারিগরদের সহায়তা করে থাকেন। আগে সারাবছর এই গ্রামে মুড়ি তৈরি হলেও এখন শুধু রমজান মাসকে ঘিরেই তা তৈরি হয়। 

তিনি বলেন, হাতে ভাজা মুড়িতে প্রকৃত স্বাদ পাওয়া যায়, বিধায় এসব মুড়ির চাহিদা বেশি। তবে হাতে মুড়ি তৈরিতে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় প্রতি কেজি ১শ টাকা দরে বিক্রি করতে হয়। আর তিনি গ্রাম ঘুরে সংগৃহীত মুড়ি রাজধানী ঢাকায় প্রেরণ করেন।

জিন্নাহ্/অরিন/নিউজ টোয়েন্টিফোর


প্রধান শিক্ষকের নির্যাতনে শিক্ষার্থী অজ্ঞান!
শিক্ষক হলেন হাছান মাহমুদ, পড়াবেন জাহাঙ্গীরনগরে
জাল নোট ও টাকা তৈরির সরঞ্জামসহ প্রতারক আটক
নদীতে ডুবে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু
কুমিল্লায় দুই ব্যক্তির অস্বাভাবিক মৃত্যু
প্রেম প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়.... 
'বিচার বিভাগকে সরকার নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে'
অসহনীয় লোড শেডিংয়ে অতিষ্ঠ রাঙামাটিবাসী
টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্তে আফগানরা
যমুনার পেটে টাঙ্গাইলের শতাধিক ঘর-বাড়ি
কারাগারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্য
রোববার চালু হচ্ছে সিম্ফোনির কারখানা 
অক্টোবরে আসছে গুগলের স্মার্ট ডিসপ্লে
খুলনায় কিশোরের লাশ নদীতে
রক্তাল্পতার লক্ষণ, কারণ ও প্রতিকারের উপায়
ইসরাইলকে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে
নিউইয়র্কে যুবলীগের দু'গ্রুপে সংঘর্ষ
ভারতীয় ২০টি প্রশিক্ষিত ঘোড়া বেনাপোল বন্দরে
বাজারে আসছে গো-মূত্রের শ্যাম্পু ও গোবরের সাবান!
প্রধান শিক্ষকের নির্যাতনে শিক্ষার্থী অজ্ঞান!
সিংড়ায় হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের শপথ
শিক্ষক হলেন হাছান মাহমুদ, পড়াবেন জাহাঙ্গীরনগরে
জাল নোট ও টাকা তৈরির সরঞ্জামসহ প্রতারক আটক
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু
নদীতে ডুবে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু
কুমিল্লায় দুই ব্যক্তির অস্বাভাবিক মৃত্যু
প্রেম প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়.... 
'বিচার বিভাগকে সরকার নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে'
অসহনীয় লোড শেডিংয়ে অতিষ্ঠ রাঙামাটিবাসী
টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্তে আফগানরা
যমুনার পেটে টাঙ্গাইলের শতাধিক ঘর-বাড়ি
কারাগারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্য
রোববার চালু হচ্ছে সিম্ফোনির কারখানা 
অক্টোবরে আসছে গুগলের স্মার্ট ডিসপ্লে
মায়ের ওপর অভিমানে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
মাদারীপুরে সেতুর দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
খুলনায় কিশোরের লাশ নদীতে
দিনাজপুরে মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
রক্তাল্পতার লক্ষণ, কারণ ও প্রতিকারের উপায়
রাষ্ট্রপতির হাতে পুরস্কার পাওয়া ছাত্রীকে গণধর্ষণ!
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের স্টিকারযুক্ত মাইক্রোবাসে ৪ মণ গাাঁজা
ওমানের সালাম এয়ারকে শাহজালাল বিমানবন্দরে জরিমানা
নয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ করল বাবা!
বসুন্ধরা নিয়ে এল স্বাস্থ্য সহনীয় মশার কয়েল 'এক্সট্রিম'
দেহ ব্যবসা করতো র‌্যাম্প মডেল কান্তা
পোশাক নিয়ে সমালোচনার মুখে জাহ্নবী কাপুর
৩০ দেশ পাড়ি দিয়ে হেঁটে হজে গিয়েছিলেন মহিউদ্দিন
আ.লীগ-বিএনপির ৪০০ নেতার শপথ
কাবা শরীফের ভেতরে ঢুকলেন ইমরান খান(ভিডিও)
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ
এখন ‌‘বয়ফ্রেন্ড’ জুটবে অ্যাপের মাধ্যমে
‘মন্ত্রীর পা ধরেও সড়কের কাজ শুরু করা যায় নি’
জাম্বুরি পার্কে ১ ঘণ্টা হাঁটলেন গণপূর্তমন্ত্রী!
অরুণা বিশ্বাসের এ কী হাল!
ইয়াবা সেবনে বাধা দেয়ায় মাকে হত্যা!
কুড়িগ্রামে কিশোর-কিশোরীর লাশ উদ্ধার
ব্রিজের রেলিং ভেঙে হাতিরঝিল লেকে প্রাইভেটকার
ওমরাহ ভিসায় সৌদি ভ্রমণে বিশেষ ছাড়
সুন্দরী তরুণীদের ধর্ষণ ও হত্যা করাই তার কাজ

সব খবর