১৫ নভেম্বর ,বৃহস্পতিবার, ২০১৮

শিরোনাম

> অন্যান্য >>

>> পাঠক কলাম

 

রাকিব হাসান

৬ সেপ্টেম্বর , বুধবার, ২০১৭ ১৭:২৫:৫৬

রোহিঙ্গাদের প্রকৃত ইতিহাস ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা


রোহিঙ্গাদের প্রকৃত ইতিহাস ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

রোহিঙ্গা [সংগৃহীত ছবি]


রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্যহত জনগোষ্ঠী। এককালে যাদের ছিল স্বাধীন রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও প্রভাব প্রতিপত্তি এখন তারাই অমানুষিক নির্যাতনের শিকার। শত শত বছর ধরেই নির্যাতিত হয়ে আসছে এই জনগোষ্ঠী। তাদের ভাগ্য বিড়ম্বনার ইতিহাস যে কাউকে নিঃসন্দেহে আপ্লুত করবে; ভারাক্রান্ত করবে।

এই উপমহাদেশ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় সর্বপ্রথম যে কয়টি এলাকায় মুসলিম বসতি গড়ে ওঠে; এমনকি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়; আরাকান তার মধ্যে অন্যতম। রোহিঙ্গারা সেই আরাকানি মুসলমানের বংশধর। আর ঐ মধ্যযুগেই বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল-আরাকান রাজসভায় অমাত্য (মন্ত্রী) হিসেবে স্থান পান। তিনি পদ্মাবতী, সয়ফুলমুলুক ও বদিউজ্জামালসহ আরো বেশকিছু কাব্যগ্রন্থ লিখেছেন।

১৪৩০ সালে আরাকানে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম শাসন দুইশ বছরেরও অধিককাল স্থায়ী হয়। সে সময় মুসলমানরা সেই রাজ্যে আধিপত্য বিস্তার করে।

১৬৩১ সাল থেকে ১৬৩৫ সাল পর্যন্ত আরাকানে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারায়। এরপর মুসলিম শাসনের অবসান ঘটে।

১৬৬০ সালে আরাকান রাজা থান্দথুধম্মা নিজ রাজ্যে আশ্রিত মোঘল সম্রাট শাহজাদা সুজাকে স্বপরিবারে হত্যা করে। এরপর শুরু হয় মুসলমানের উপর তার অমানবিক অত্যাচার আর দমন-নিপীড়ন। প্রায় সাড়ে তিনশ বছর ধরে মুসলমানদের এই দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে দিয়ে কাটাতে হয়।

১৭৮২ সালে বর্মী রাজা বোধাওপায়ার আরাকান রাজ্য দখল করে নেন। তিনি ছিলেন ঘোর মুসলিম বিদ্বেষী। দখলের পর বোধাওপায়ার ঢালাওভাবে মুসলিম নিধন করতে থাকেন। শুরু হয় অত্যাচার আর শোষণের আরেক অধ্যায়।

১৮২৮ সালে বার্মা (মায়ানমার) ইংরেজদের শাসনে চলে যায়। এরপর ১৯৩৭ সালে বার্মা স্বায়ত্ত্বশাসন লাভের পর বৌদ্ধদের পরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ব্যাপক রূপ নেয় এবং তারা প্রায় ৩০ লাখ মুসলিমকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। নির্যাতিত মুসলিমরা কোনঠাসা হতে হতে সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়।

১৯৮১ সালে মায়ানমারের সামরিক শাসনকর্তা ‘আরাকান’ রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘রাখাইন’ প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করেন। এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য এটা বুঝানো যে; এই রাজ্য বৌদ্ধ রাখাইন সম্প্রদায়ের, রোহিঙ্গা মুসলমানদের নয়। ইতিহাস বিকৃতির এক ঘৃন্যতম দৃষ্টান্ত ছিল এই নাম পরিবর্তন !!!

এখানেই শেষ নয়!!শত শত বছর ধরে রোহিঙ্গারা মায়ানমারে বসবাস করে আসলেও মায়ানমার সরকার তাদেরকে সেদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। এই জাতিগোষ্ঠির পরিচয় নিশ্চিহ্ন করতে; ১৯৮২ সালে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয় এবং সরকারিভাবে তাদেরকে সেখানে বহিরাগত ‘বসবাসকারী’হিসেবে উল্লেখ করে। এর মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার, সাংবিধানিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয়।

নিজ দেশে পরবাসী হয়ে পড়েন ভাগ্যাহত- নিপীড়িত এই জনগোষ্ঠী। এমনকি মায়ানমারের এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশে অনুমতি ছাড়া তারা যেতে পারবেন না-এমন বিধিনিষেধও আরোপ করা হয়। এক সময় যেখানে রোহিঙ্গারা ছিল সংখ্যাগুরু; আজ সেখানে তারাই হয়ে পড়ে সংখ্যালঘু। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস- এখনও রোহিঙ্গা সম্প্রদায় মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার। আর‘জীব হত্যা মহাপাপ’এই শান্তির বাণী উচ্চারণ করা মানুসগুলোই তাদের শিকারী।

খুবই উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্বকে অস্বীকার করে তাদেরকে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠি বলেও অভিহিত করছে মায়ানমার সরকার। অথচ রাখাইন রাজ্যে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শত শত বছর ধরে বংশপরম্পরায় সেখানে বসবাস করে আসছে। এরকম একটি জনগোষ্ঠিকে তাদের নাগরিক ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি; বরং লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাকে বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করে; তাদেরকে নৃশংসভাবে হত্যা করছে।

মায়ানমারের সামরিক জান্তা তার অধিবাসী মুসলমানদের জন্য সে দেশকে দু:স্বপ্নে পরিণত করেছে। তাদের থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে উপার্জিত সব সম্পদের মালিকানা, নাগরিক অধিকার, মানবিক অধিকার, এমনকি বেঁচে থাকার অধিকারও। বিপদের কথা জানার পরও মরিয়া হয়ে তারা বাংলাদেশে ছুটছে একটুখানি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে।

যারা ফেসবুকে রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তাদের নিয়ে কটাক্ষ করছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি ‘আপনার সামনে আপনার ভাই-বোন, মা-বাবা, ছেলে-মেয়েদের যদি আগুনে পুড়িয়ে ভস্মীভূত করে, শরীরের ওপর কামান তুলে মাথার মগজ বের করে ফেলে, নিস্পাপ শিশুটিকে ফুটবলের মতো লাত্থি দিয়ে হত্যা করে, চোখের সামনে আপনার ভাইয়ের তাজা দেহকে দ্বিখণ্ডিত করে ফেলে তখন আপনার কেমন লাগবে?’বার্মার মুসলমানদের সঙ্গে এ ধরনের নির্যাতন শত শত বছর ধরেই করা হচ্ছে। সুতরাং ইতিহাসের সত্যতা যাচাই না করে কেবল আবেগের বশবর্তী হয়ে অযৌক্তিকভাবে তাদের প্রতি নির্দয় ও অসত্য তথ্য তুলে ধরবেন না।

‘রোহিঙ্গারা মুসলিম বলে তারা নির্যাতিত হচ্ছে’-এই বক্তব্যেকে যারা সাম্প্রদায়িক বক্তব্য বলছেন এবং একারণে রোহিঙ্গারা ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সমর্থন বঞ্চিত হচ্ছে এবং এসব কারণে দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে বলেও দাবি করছেন কেউ কেউ- তাদের উদ্দেশ্য বলছি-

‘প্রথমত, আরাকান রাজ্যের সেই সংখ্যাগুরু মুসলমানরা কীভাবে সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে; সেই ইতিহাসটা আগে একবার জানার চেষ্টা করুন। তাহলে তাদের ধর্মীয় পরিচয়টা পেয়ে যাবেন।
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে হিন্দু-বৌদ্ধ-খিস্ট্রান কেউ নির্যাতিত হলে আপনারাতো সংখ্যালঘু হিন্দু, সংখ্যালঘু বৌদ্ধের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে বলে বেশ সোচ্চার হোন। এখন মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য এদেশের কোন মুসলিম যদি বলে সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপর নির্যাতন হচ্ছে তাহলে আপনাদের এত আঁতে ঘা লাগে কেন ??

তৃতীয়ত, ‘একারণে রোহিঙ্গারা ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সমর্থন বঞ্চিত হচ্ছে’এই ধরনের বক্তব্য দিয়ে আপনারা কী বুঝাতে চাচ্ছেন? ওরা মুসলিম বলেই কী আপনাদের মতো কথিত অসাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর সমর্থন পাবে না এবং এদেশের মুসলমানরা তাদের পাশে দাঁড়ালেই সেটা সাম্প্রদায়িক হয়ে যাবে? ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে ঐ অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে কোন মুসলমান কি আপনাদের বাঁধা দিয়েছে ?? সাম্প্রদায়িক শব্দটা কি আপনারা শুধু মুসলমানদের জন্যই বরাদ্ধ করে রেখেছেন?? তাহলে একবার ইসলামের ইতিহাস পড়ুন। জানতে পারবেন- মুসলমানদের মতো অসাম্প্রদায়িকতা, মানবতা, ন্যায়বিচার আর সহিষ্ণুতা কেউ দেখাতে পারেনি।

চতুর্থত: মায়ানমারের নির্যাতিত মুসলিমদের পক্ষ নিয়ে কেউ কথা বললেও এটাকে দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে বলে উস্কানীমূলক মন্তব্য করার যৌক্তিকতা কতটুকু? এত অসাম্প্রদায়িক চেতনা আপনাদের!!! তাহলে মুসলমানদের বাদ দিয়ে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ করার পরও ‘সাম্প্রদায়িক সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করেন না কেন ?? এত এত মানবতার বুলি আওড়ান !! অথচ নির্বিচারে হত্যার শিকার রোহিঙ্গাদের সম্মানে জাগরণ চত্বরের সমবেত হয়ে এক মিনিটের জন্যও নিরবতা পালন করেছেন কী? কেন করেননি? তারা মুসলিম বলে? যদি না করেই থাকেন অযথা মুখে মানবতা আর অসাম্প্রদায়িক চেতণার ফেনা তুলবেন না। সার্বিকভাবে আপনাদের সবকিছু বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে-‘আপনারাই হচ্ছেন মূলত সবচেয়ে বড় সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী।’

আপনাদের জন্য জাতিসংঘের এক কর্মকর্তার বক্তব্যটি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। তিনি বলেছেন, ‘নিজের দেশ তাদের নাগরিকত্বের স্বীকৃতি দেয় না, প্রতিবেশীরাও গ্রহণ করতে চায় না- এই হল রোহিঙ্গা; মিয়ানমারের এই মুসলিমরাই সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে‘বন্ধুহীন জনগোষ্ঠী’। 

লেখক: সাংবাদিক 


মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন অভিনেত্রী তারিন
'নির্বাচন পেছানোর বিষয় ইসির সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে'
'বিএনপি সুষ্ঠু নির্বাচন চায়, অন্য দিকে সহিংসতা করে'
'দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে ইসি'
চট্টগ্রামে পুলিশ বক্স ভাংচুর, গাড়িতে আগুন
'নয়াপল্টনে হামলাকারীদের ভিডিও ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা'
‘বিনা উসকানিতে’ এটা করল বিএনপি: কাদের
‘আমাদের নির্বাচনে যাওয়ার দরকার নেই’
লালমনিরহাটে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদকবিক্রেতা গুলিবিদ্ধ
ফকিরাপুল-কাকরাইল বিএনপির দখলে
ডেসটিনি চেয়ারম্যানের ৩ বছর কারাদণ্ড
নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ
খালেদার মুক্তি নিয়ে প্রশ্নে জাতিসংঘ নিশ্চুপ
বিকেলে ঢাকায় আসছে উইন্ডিজ দল
‘থ্যাংক ইউ পিএম’ প্রচার আইনের লঙ্ঘন: রিজভী
ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে নিহত বেড়ে ৫০
নাটোরে নৈশকোচের চাপায় বৃদ্ধা নিহত
অতিরিক্ত ফি আদায়, এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা
আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আজ
বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার ১৮ নভেম্বর
শিবগঞ্জে আমগাছে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ
মাদারীপুরে বাস চাপায় যুবক নিহত
ইসলাম গ্রহণকারী ভারতীয় সেই নারী খুন
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন অভিনেত্রী তারিন
ফরিদপুর-৪ আসনে আলোচনায় সেলিম
'নির্বাচন পেছানোর বিষয় ইসির সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে'
'বিএনপি সুষ্ঠু নির্বাচন চায়, অন্য দিকে সহিংসতা করে'
'পুলিশ রাষ্ট্রের কর্মচারী, প্রতিপক্ষ ভাববেন না'
বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন নাজমুল হুদার মেয়ে
'দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে ইসি'
চট্টগ্রামে পুলিশ বক্স ভাংচুর, গাড়িতে আগুন
'নয়াপল্টনে হামলাকারীদের ভিডিও ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা'
পীরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কালীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারী নিহত 
ভুরুঙ্গামারীতে হানাদার মুক্ত দিবস পালন 
নোয়াখালীতে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত
‘বিনা উসকানিতে’ এটা করল বিএনপি: কাদের
‘আমাদের নির্বাচনে যাওয়ার দরকার নেই’
লালমনিরহাটে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদকবিক্রেতা গুলিবিদ্ধ
ফকিরাপুল-কাকরাইল বিএনপির দখলে
ইতালিতে সন্তান হলে জমি পুরস্কার
নির্বাচন করবেন হিরো আলম!
৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’: রব
বিএনপিকে চাঙ্গা করতে আসছেন জোবাইদা
চীন সফরে বিএনপির প্রতিনিধি দল
মাশরাফির নির্বাচন নিয়ে যা বললেন তার বাবা
নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করেছে ইসি!
'পুলিশ রাষ্ট্রের কর্মচারী, প্রতিপক্ষ ভাববেন না'
হামাসের ক্ষেপণাস্ত্রে ইসরাইলের সেনাবাস ভস্মীভূত
বিএনপির কাছে ১০০ আসন চাচ্ছেন শরিকরা
মৃত্যুর আগে যে কথা বলেন খাসোগি
আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনবেন মাশরাফি
সংসদ নির্বাচনে যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট
চাঁদা চাওয়া সেই এসআই বরখাস্ত
খাসোগি হত্যাকাণ্ডে ইসরায়েলি প্রযুক্তি
২০ দল বেড়ে হলো ২৩ দলীয় জোট
বয়স বাড়বে কিন্তু শক্তি কমবে না
ইসলাম গ্রহণকারী ভারতীয় সেই নারী খুন
ফকিরাপুল-কাকরাইল বিএনপির দখলে
‘বিনা উসকানিতে’ এটা করল বিএনপি: কাদের

সব খবর