২২ জানুয়ারী ,মঙ্গলবার, ২০১৯

শিরোনাম

> অর্থ-বাণিজ্য

 

নাসিম উদ্দীন • নাটোর প্রতিনিধি

২৫ জুন ,সোমবার, ২০১৮ ১৬:২৮:০৭

আর্থিক সঙ্কটে নাটোর সুগার মিল

টাকার বদলে চিনি নিতে ৫% কমিশনের শর্ত, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যাখ্যান
আর্থিক সঙ্কটে নাটোর সুগার মিল


দেশের শীর্ষস্থানীয় চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নাটোর সুগার মিল। মানসম্পন্ন চিনি উৎপাদনে সুনাম অর্জন করলেও বর্তমানে আর্থিক সঙ্কটে মুখ থুবড়ে পড়ছে চিনিকলটি। মার্চের পর প্রতিষ্ঠানটির সাড়ে ৬শ কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকের বেতন-ভাতা, ওভারটাইম ও মজুরি দিতে পারেনি চিনিকলটি। 

টাকার পরিবর্তে দেয়া চিনি নিয়েও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। মিলের তালিকাভুক্ত এক এসইডিও চিনির দামের ওপর শতকরা ৫ ভাগ কমিশন বাগিয়ে নিচ্ছেন। সেই সাথে জুড়ে দিয়েছেন আরো শর্ত। 

এ নিয়ে গতকাল সুগার মিলে গেট মিটিং ডেকে কমিশন বাণিজ্যের প্রতিবাদ জানিয়ে নায্য পাওনাদি পরিশোধের দাবি জানানো হয়েছে।

সরেজমিন নাটোর সুগার মিল ঘুরে দেখা যায়, গুদামে মজুদ বস্তা-বস্তা চিনি। হিসেবের খাতায় এর পরিমাণ প্রায় সাত হাজার টন। কারণ, কয়েক মৌসুম মিলিয়ে উৎপাদিত চিনি বিক্রিই হয়নি। এর ওপর শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-মজুরিসহ অানুষাঙ্গিক পাওনাদি পরিশোধে নিজস্ব তহবিল বা ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা না থাকায় কয়েক বছর ধরে মজুরি পরিশোধে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। 

এক পর্যায়ে মজুরি দিতে না পারায় বিকল্প হিসেবে মিল কর্তৃপক্ষ সমপরিমাণ অর্থের চিনি শ্রমিক-কর্মচারীদের দেয়ার প্রস্তাব দেয়। শুরুতে রাজি না হলেও শ্রমিক কর্মচারীদের কেউ কেউ নিরুপায় হয়ে চিনি নিতে সম্মত হয়। বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে চিনি বিক্রি করেও পাওনাদি আদায়ে কমিশন বাণিজ্যের শিকার হচ্ছে শ্রমিক-কর্মচারীরা। 

তাদের অভিযোগ, চিনি বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যাবে তার ওপর ৫% কমিশন দাবি করছে সুগার মিলের এসইডিও ও স্থানীয় ব্যবসায়ী কামাল হোসেন।এককভাবে কামাল হোসেনকে চিনি দিলেই তিনি সুগার মিলের মজুদ চিনি কিনবেন- এমন শর্তে মিল কর্তৃপক্ষ তার নিকট চিনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সুযোগে তিনি শ্রমিক-কর্মচারীদের থেকে ৫% কমিশন বাগিয়ে নিচ্ছেন। তাদের দাবি, এই কমিশন বাণিজ্যের নেপথ্যে রয়েছেন ব্যবস্থাপকসহ মিল প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। 

এদিকে, মিল পাওনাদি পরিশোধ না করায় মানবেতর জীবনযাপন করছে শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের ভয়, গণমাধ্যমের সাথে এ নিয়ে কথা বললে, ছোট ছোট অভিযোগ এনে নোট দিয়ে চাকুরিচ্যুত করা হয়। এমনকি সময়মত মজুরি না পাওয়ায় এক শ্রমিকের সন্তান এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি। 

বয়লার হাউজের শ্রমিক আবু তালেব বলেন, ঈদের আগে মজুরি কমিশনের অগ্রিম টাকা পাইনি। তার ওপর ২ মাসের বেতনও বকেয়া। ধার-দেনা করে ঈদ পার করেছি, এখন আর চলার সামর্থ্য নেই।

মিলের ওয়ারিং ও বিদ্যুৎ হাউজের কর্মচারী বাবর আলী বলেন, ৩ মাস ধরে বেতন পাই না। চাইতে গেলে মিল কর্তৃপক্ষ বলে, টাকা নেই। ৫% কমিশনে চিনি বেচে বেতন নেন।

হিসাব বিভাগের জ্যেষ্ঠ করণিক সাহেব আলী বলেন, ওভারটাইম, বকেয়া বেতন, বাড়ি ভাড়াসহ ২ মাসের বেতন দিচ্ছে না মিল কর্তৃপক্ষ। চিনি দিতে চাইছে বাজারের চেয়েও কম দামে। আবার সেই চিনি বিক্রি করতেও ৫% কমিশন দিতে হবে ক্রেতাকে, এটা মেনে নেয়া যায় না। কমিশনের বিনিময়ে বেতন-ভাতা গ্রহণ করবো না আমরা। 

শ্রমিক জালাল উদ্দীন বলেন, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের গৃহীত কমিশনের সিদ্ধান্ত মানি না। কাজ করেছি বেতন পাওয়ার জন্য। অথচ টাকা দিয়ে বেতন নেয়ার কথা বলছে ব্যবস্থাপনা পরিচালক। 

চিনিকল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, বেতন-মজুরি সাড়ে ৬শ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নায্য অধিকার। সকলে একমত হয়েছে কমিশন দিয়ে বেতন না নিতে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে শিল্পমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরীফুল ইসলামও শীর্ষস্থানীয় এ চিনিকলের ৬ শতাধিক কর্মকর্তা-শ্রমিক-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধ করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি বলেন,  ৫% কমিশন দিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীরা বকেয়া বেতন নিলে অবশিষ্ট কিছুই থাকে না। এখানকার কর্মকর্তা-শ্রমিক-কর্মচারীরা তাদের নায্য পাওনাদি না পেলে ভবিষ্যতে চিনি উৎপাদনে উৎসাহ হারাবে। তখন চিনিশিল্প মুখ থুবড়ে পড়বে।

এ ব্যাপারে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদ উল্লাহ মিলের আর্থিক সঙ্কটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, চিনি বিক্রির টাকা থেকে গত ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসের বেতন দেয়া হয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। সরকারের বেঁধে দেয়া ৫০ টাকা কেজিতে ব্যবসায়ীরা চিনি কিনতে চান না। তাই চিনি অবিক্রিত থাকছে এবং বকেয়া বেতন-ভাতা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। 

অনান্য মিলগুলোতে নির্দিষ্ট কমিশনের বিনিময়ে চিনি বিক্রি করেই বকেয়া পরিশোধ করা হচ্ছে জানিয়ে সঙ্কট নিরসনে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

নাসিম/অরিন/নিউজ টোয়েন্টিফোর


'ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি'
ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলছে যানবাহন!
সুনামগঞ্জ বিজিবি কর্তৃক মাদকদ্রব্য ধ্বংস!
'বিআরটিসিতে কার কত ইনকাম আমি ভালো করে জানি'
'বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে হবে নতুন রেলসেতু'
'সময় থাকতে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন' 
জাজিরা প্রান্তে যাচ্ছে পদ্মাসেতুর ষষ্ঠ স্প্যান!
'উন্নয়নশীল হয়েছি, উন্নত দেশের কাতারে যেতে হবে'
বাস-ট্যাংকার সংঘর্ষ, নিহত ২৬
জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ১৫ বাড়িতে অভিযান!
শেষ স্ট্যাটাসে ‘আমাকে যেন ভুলে না যাও...’
‘আমার সারাদেহ খেয়ো গো মাটি’
সঙ্গীত শিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই!
জা-ভাসুরকে ফাঁসাতে সন্তানকে হত্যা!
‘আগুন নিয়ে খেলবে না’
আফগানিস্তানে তালেবানের হামলায় শতাধিক নিহত
জেলের জালে আটকা স্যাটেলাইটযুক্ত কচ্ছপ
‘এত শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বাংলাদেশে হয়নি’
অসুস্থ্য বাবাকে দেখতে গিয়ে ছেলের মৃত্যু  
ইয়াবাসহ আটক ছাত্রলীগ নেতা বহিস্কার
'ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি'
ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলছে যানবাহন!
সুনামগঞ্জ বিজিবি কর্তৃক মাদকদ্রব্য ধ্বংস!
'বিআরটিসিতে কার কত ইনকাম আমি ভালো করে জানি'
'বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে হবে নতুন রেলসেতু'
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে রিট!
সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার
টস জিতে ফিল্ডিং করছে রংপুর
'সময় থাকতে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন' 
ট্রাক ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত
জাজিরা প্রান্তে যাচ্ছে পদ্মাসেতুর ষষ্ঠ স্প্যান!
'উন্নয়নশীল হয়েছি, উন্নত দেশের কাতারে যেতে হবে'
বাস-ট্যাংকার সংঘর্ষ, নিহত ২৬
জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ১৫ বাড়িতে অভিযান!
শেষ স্ট্যাটাসে ‘আমাকে যেন ভুলে না যাও...’
‘আমার সারাদেহ খেয়ো গো মাটি’
সঙ্গীত শিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই!
জা-ভাসুরকে ফাঁসাতে সন্তানকে হত্যা!
‘আগুন নিয়ে খেলবে না’
আফগানিস্তানে তালেবানের হামলায় শতাধিক নিহত
বিয়ে করলেন সঙ্গীতশিল্পী সালমা
‘গরীবের ডাক্তার’ ডা. রাকিবুল ইসলাম লিটু আর নেই
‘‌সৌদিতে সংস্কার না হলে বিপ্লব ঘটবে’
মায়ের লাশ বাইসাইকেলে বেঁধে একা ছেলে!
ছেলে সন্তানের মা হলেন টিউলিপ
অস্ত্র কারখানার সন্ধান, স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৩
বাসায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অহনা
হুথিদের গুলিতে সৌদির ১৪ সেনা নিহত
ইরান-রাশিয়া-চীনকে নিয়ে উদ্বেগে ট্র্রাম্প
ব্রেক্সিট ভোট দিয়েছেন অন্তঃসত্ত্বা টিউলিপ
এরশাদের অবর্তমানে কে পাচ্ছেন দলের দায়িত্ব!
বন্ধ হলো শাহবাগ শিশুপার্ক
এমপি হতে চায় অপু বিশ্বাস!
টিআইবির অভিযোগ লজ্জাকর: নূরুল হুদা
স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণ করল ৫ যুবক
‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল আসামি’
শিক্ষিকার মাদক ব্যবসায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
সঙ্গীত শিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই!
ধনী বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ তৃতীয়!
নৌবাহিনীর প্রধান হলেন আওরঙ্গজেব

সব খবর