মাঙ্কিপক্স নিয়ে যা বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
মাঙ্কিপক্স নিয়ে যা বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

সংগৃহীত ছবি

মাঙ্কিপক্স নিয়ে যা বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

অনলাইন ডেস্ক

মাঙ্কিপক্স বিশ্বকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী দাঁড় করিয়েছে, বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর প্রধান তেদ্রোস আধানম। শুধুমাত্র করোনা কিংবা ইউক্রেন যুদ্ধই বিশ্বের জন্য হুমকি নয়- উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাঙ্কিপক্স যেভাবে বিস্তার লাভ করছে; তা নিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। এদিকে, এই রোগ নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্রও। প্রতিষেধক খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

খবর এএফপির।

একের পর এক দেশে মিলছে, মাঙ্কিপক্সের অস্তিত্ব। চামড়ায় ক্ষতসৃষ্টিকারী রোগটিতে মৃত্যু ঝুঁকি কতটা তা নিয়ে চলছে গবেষণা। এ নিয়ে সতর্ক পশ্চিমা দেশগুলো। এরইমধ্যে ব্রিটিশ ও বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষের পরামর্শ, উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তিন সপ্তাহের জন্য সেলফ-কোয়ারেন্টাইনে থাকা উচিত।

এ পরিস্থিতিতে নতুন করে সতর্ক করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান। রোববার (২২ মে) দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বের করোনা কিংবা ইউক্রেন সংঘাতই একমাত্র সঙ্কট নয়। মাঙ্কিপক্স যেভাবে বিস্তার করছে, তাতে বিশ্ব এখন নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী।

বিবৃতিতে তেদ্রোস আধানম বলেন, আমরা শুধু করোনা মহামারির মতো সঙ্কটই পার করছি না। পৃথিবীতে আরও অনেক সমস্যা রয়েছে। এখন জলবায়ু পরিবর্তন, বৈষম্য ও ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে রোগ, খরা, দুর্ভিক্ষ এবং যুদ্ধ মিলিয়ে এক ভয়ঙ্কর পরিণতির মুখোমুখী। এ অবস্থায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে মাঙ্কিপক্স। মনে রাখতে হবে এটিও নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করতে পারে বিশ্বকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বের অন্তত ১৫টি দেশে মাঙ্কিপক্সের অস্তিত্ব মিলেছে, আক্রান্ত শতাধিক। এর মধ্যে ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইসরায়েলে ৮০ জনের বেশি সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে।

যদিও বলা হচ্ছে, এই ভাইরাসের ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম। তবুও রোগটির প্রতিষেধক খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বিগ্ন হওয়ার মতোই। বিশেষ করে এটা যেভাবে ছড়াচ্ছে তাতে পরিস্থিতি ভয়ঙ্করের দিকেই যাচ্ছে। এ অবস্থায় করণীয় কী হতে পারে তা জানতে জোর প্রচেষ্টা চলছে। এই রোগ নির্মূলে কোনো ভ্যাকসিন আছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত এই রোগে যেসব উপসর্গ মিলেছে, তারমধ্যে অন্যতম হলো, তীব্র জ্বরের পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন স্থানে দেখা দেয় ফুসকুড়ি, চুলকানি এবং গায়ে প্রচণ্ড ব্যথাসহ অসুস্থতা থাকতে পারে প্রায় একমাস পর্যন্ত।

news24bd.tv/কামরুল