ইসলামাবাদে ইমরান, সেনা মোতায়েন শাহবাজ সরকারের
ইসলামাবাদে ইমরান, সেনা মোতায়েন শাহবাজ সরকারের

সংগৃহীত ছবি

ইসলামাবাদে ইমরান, সেনা মোতায়েন শাহবাজ সরকারের

অনলাইন ডেস্ক

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে প্রবেশ করেছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের চেয়ারম্যান ইমরান খান। তার প্রবেশের পর সেখানে সব রকম বিশৃঙ্খলা এড়াতে সেনা মোতায়েন করেছে শাহবাজ শরীফ সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রীনগর হাইওয়ে হয়ে ইসলামাবাদে প্রবেশ করেছেন ইমরান। এরইমধ্যে পুলিশি বাধা ও গুলির মুখেও ইসলামাবাদের ডি–চকে অবস্থান নিয়েছেন পিটিআইয়ের নেতা-কর্মীরা।

সেখানে জড়ো হওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে আজাদি মার্চের কর্মসূচিতে যোগ দেবেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

ডনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসলামাবাদের ‘রেড জোনের’ নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার। ইতিমধ্যে সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুমতিও দিয়েছে সরকার। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবন রক্ষায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ একটি প্রজ্ঞাপন টুইট করে বলেছেন,  সংবিধানের ২৪৫ অনুচ্ছেদের অধীনে রেড জোনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

এর আগে, রাজধানী অভিমুখে আসার পথে ৫০ কিলোমিটার দূরে যাত্রাবিরতি করেন তিনি। সেখানে বলেন, আমদানি করা সরকার কর্তৃক নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না করা পর্যন্ত ডি-চক খালি করবেন না তিনি এবং তাঁর সমর্থকরা।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ডাকে নতুন নির্বাচনের দাবিতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থকেরা রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ (আজাদি মার্চ) শুরু করেছেন। এই কর্মসূচি ঠেকাতে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) সরকার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। ফলে লংমার্চকে ঘিরে দেশটির অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

পাকিস্তানে বুধবার একটি খবর ছড়ায় যে দেশটির বর্তমান সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছেন ইমরান খান। কিন্তু সেটিকে গুজব বলে অভিহিত করেন ইমরান।

তিনি জানান, কোনো চুক্তি হয়নি । সমর্থকদের লং মার্চ নিয়ে রাজধানীতে আসার অনুরোধ করেন তিনি।  সঙ্গে ইমরান খান সতর্কতা দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দাবি না আদায় হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি ইসলামাবাদে থাকবেন।
এ ব্যাপারে ইমরান খান টুইটে বলেন, গুজব ছড়িয়েছে একটি চুক্তি হয়েছে। অবশ্যই এমন কোনো চুক্তি হয়নি। আমরা ইসলামাবাদের দিকে এগুচ্ছি এবং চুক্তির কোনো প্রশ্নই আসে না।

তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ সংসদ (জাতীয় পরিষদ) ভেঙে দেওয়া ও নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না করা হবে ততক্ষণ আমরা ইসলামাবাদে থাকব। ইসলামাবাদ ও পিন্ডির জনগণকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

news24bd.tv/রিমু