বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী
বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

সংগৃহীত ছবি

বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

অনলাইন ডেস্ক

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় একটি রাবার বাগানে ছেলে বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে যান স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী (১৭)। সেখানে থাকা স্থানীয় ৫ যুবক ছাত্রীর বন্ধুর হাত-মুখ বেঁধে ওই শিক্ষার্থীকে নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই শিক্ষার্থীর পিতা থানায় চারজনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরেকজনকে আসামি করে মামলা করেন। রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে মুকিদ মিয়া ও আব্দুছ ছত্তার নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২৫ মে) বিকেলে বিদ্যালয়ের ছুটি শেষে ওই ছাত্রী তার ছেলে বন্ধুর সঙ্গে উপজেলার হিঙ্গাজিয়া রাবার বাগানে ঘুরতে যান। এ সময় সেখানে ব্রাহ্মণবাজারের বাসুদেবপুরের মৃত মাহমুদ মিয়ার ছেলে মুকিদ মিয়া (৩৫), হিঙ্গাজিয়া চা বাগানের বাসিন্দা জামাল মিয়ার ছেলে জসিম মিয়া (২৮), লংলা খাস নতুন বস্তির বাসিন্দা মো. শমসের মিয়ার ছেলে আব্দুছ ছত্তার (১৯), হিঙ্গাজিয়া চা বাগানের বড় লাইন এলাকার মছদ্দর আলীর ছেলে মোস্তফা মিয়া (২৫) এবং অজ্ঞাতনামা আরো একজন ছিলেন। ওই ছাত্রী ও তার বন্ধুকে একা পেয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাগানের নির্জন স্থানে নিয়ে যায় ওই পাঁচ যুবক। এর পর ছাত্রীর বন্ধুকে হাত-মুখ বেঁধে ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন তাঁরা। এতে ওই ছাত্রী জ্ঞান হারালে তাঁরা তাকে সেখানে ফেলে রেখে যায়। জ্ঞান ফেরার পর ওই ছাত্রী রাতে বাড়িতে ফিরে অভিভাবকদের বিষয়টি জানায়। বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর পিতা থানায় মামলা করেন। ওই শিক্ষার্থীকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষণ রায় বলেন, ওই ছাত্রীর পিতা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন। ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মুকিদ ও ছত্তার ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। বাকি জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত।

news24bd.tv/আলী