অগ্নি যোদ্ধা সাকিলের দাফন সম্পন্ন
অগ্নি যোদ্ধা সাকিলের দাফন সম্পন্ন

অগ্নি যোদ্ধা সাকিলের দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

চোখের জলে শেষ বিদায় জানানো হলো খুলনার বটিয়াঘাটার ফায়ার ফাইটার সাকিল তরফদারকে। মঙ্গলবার (৭ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্স করে সাকিলের মরদেহ গ্রামের বাড়ি বটিয়াঘাটার সুখদাড়ায় আনা হয়। তারপর সেখানে নামাজে জানাজা ও গার্ড অব অর্নারের পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এসময় সাকিলকে শেষবারের মতো দেখতে হাজার হাজার গ্রামবাসী ভিড় করেন।

সাকিলের মরদেহ দেখে বাবা-মা, ভাইসহ স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। সেখানে শোকাবহ পরিবেশ তৈরি হয়।

এর আগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় সাকিলের মরদেহ শেষবারের মতো আনা হয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদর দপ্তরে। সেখানে তার জানাজায় অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মোকাব্বির হোসেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন এবং বিজিবি ডিজিসহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।

সাকিল ২০২০ সালে ১৯ জানুয়ারি ফায়ার সার্ভিসে যোগ দেন। সর্বশেষ তিনি সীতাকুন্ডে কুমিরা ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। সীতাকুন্ডে কনটেইনার ডিপোতে আগুন নেভাতে গিয়ে জীবন উৎসর্গ করেন খুলনার সাহসী এই তরুণ।

বটিয়াঘাটার সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন বলেন, সাকিল নিজের থেকেও দায়িত্বকে বড় করে দেখেছেন। নিজের জীবন বিপন্ন করে অন্যকে বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার পরিবার যেন সঠিক মূল্যায়ন পায়।

ফায়ার ফাইটার সাকিল তরফদারের চাচা আবুল কালাম তরফদার বলেন, সাকিল পরিবারের একমাত্র অবলম্বন ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। সাকিলের মেজো ভাই ফায়ার সার্ভিসে অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করেন। সরকারের কাছে আবেদন তার ভাইকে যেন যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি দেওয়া হয়।

news24bd.tv তৌহিদ