১০১ কেন্দ্রে ৬২৯ ভোটে এগিয়ে সাক্কু
১০১ কেন্দ্রে ৬২৯ ভোটে এগিয়ে সাক্কু

সংগৃহীত ছবি

মোট কেন্দ্র : ১০৫, প্রাপ্ত কেন্দ্র : ১০১

১০১ কেন্দ্রে ৬২৯ ভোটে এগিয়ে সাক্কু

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

শেষ হলো কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮টা শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ করা হয়েছে ইভিএমে। এর আগে সারাদিন অনুষ্ঠিত ভোটে প্রায় সবকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি দেখা যায়।

ভোটের শেষে এবার অপেক্ষা কে নগর পিতা হচ্ছে সেই ফলাফলের।  

নির্বাচনে মোট কেন্দ্র ১০৫টি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১০১টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। বেসরকারিভাবে ঘোষিত এই ফলাফলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৮৬৩ ভোট। আর সাবেক মেয়র ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৪৯২ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম ‍উদ্দিন কায়সার পেয়েছেন ২৮ হাজার ১৪২ ভোট।

নির্বাচনে বড় ধরনের কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর না পাওয়া গেলেও আচরণবিধি ভঙের দায়ে ১২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন- কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত (নৌকা), টানা দুইবারের সদ্য সাবেক মেয়র ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল হক সাক্কু (টেবিল ঘড়ি), স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার (ঘোড়া), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান বাবুল (হরিণ)। এছাড়া সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন ১০৬ জন প্রার্থী।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। এতে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০। নারী ভোটার ১ লাখ ১৭ হাজার ৯২ এবং পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার দুজন। মোট ১০৫টি ভোটকেন্দ্রের ৬৪০টি কক্ষে ভোট হয়।  

নির্বাচনে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাড়ে তিন হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে আছেন ১৫ ও ১৬ জন করে পুলিশ। আনসারসহ গ্রাম পুলিশের সদস্যরাও আছেন প্রতিটি কেন্দ্রে।

পুলিশের মোবাইল ফোর্স আছে ২৭টি, প্রতি ওয়ার্ডে একটি। স্ট্রাইকিং ফোর্স নয়টি। রিজার্ভ ফোর্স দুটি। আর বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে ১২ প্লাটুন, র‌্যাবের ২৭টি টিম আছে। এছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাচনী ম্যাজিস্ট্রেট ও নয়জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন।

ভোটগ্রহণ কাজে নিয়োজিত আছে দুই হাজার ৫৬০ জন কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার ৬৪০ জন, পোলিং অফিসার ১২৮০ জন এবং সহকারী পোলিং অফিসার ৬৪০ জন।

news24bd.tv/আলী/তৌহিদ