গুগল ম্যাপে পদ্মা সেতু
গুগল ম্যাপে পদ্মা সেতু

সংগৃহীত ছবি

গুগল ম্যাপে পদ্মা সেতু

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের গর্ব ও স্বপ্নের পদ্মা সেতু ঠাঁই পেয়েছে গুগল ম্যাপে। ম্যাপে পদ্মা সেতু (padma bridge) লিখে সার্চ দিলেই লোকেশন দেখাচ্ছে। পদ্মার বুক চিড়ে স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে থাকে সেতু গুগল ম্যাপেও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। গুগল ম্যাপে পদ্মা সেতুর লোকেশন, ছবি, সংবাদ, ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।

পাশাপাশি স্যাটেলাইট ভিউতেও দেখা যাচ্ছে এই সেতু।

গুগল ম্যাপসে পদ্মা সেতু যুক্ত করার প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন ভলান্টিয়ার কমিউনিটি বাংলাদেশের লোকাল গাইডরা। তারা গত বছরের জুলাইয়ে গুগল ম্যাপসে পদ্মা সেতু সংযুক্তের কাজ শুরু করেন।

গুগল ম্যাপসে পদ্মা সেতু সংশ্লিষ্ট নানা তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পদ্মা সেতু নির্মিত ওয়েবসাইটও (http://www.padmabridge.gov.bd/) ।  

ম্যাপ থেকে পাওয়া যাবে সেতুতে যাওয়ার দিক-নির্দেশনাও। ম্যাপ থেকে জানা যাবে, সেতুর দুই পাশের টোল প্লাজায় যানজটের অবস্থা, সেতুতে গাড়ি চাপ কেমন ইত্যাদি তথ্য। এছাড়াও গুগলের মাধ্যমে পদ্মা সেতুতে যাওয়ার সব কয়টি রুট ম্যাপও জানা যাবে।  

পদ্মা সেতু নিয়ে রিভিউও দিয়েছেন অনেকেই। ম্যাপে ৩৪১৫টি রিভিউ দেওয়া আছে।   পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এর মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের সঙ্গে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলা যুক্ত হয়েছে। মূল সেতুর আয়তন ৬.১৫ কিলোমিটার। ইস্পাত ও কংক্রিটের কাঠামোতে সেতুটি তৈরি হয়েছে।

সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থাপনা পদ্মা সেতু। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এই সেতুর এক অংশ পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত এবং অপর অংশ নদীর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত। একই সঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে এ সেতুতে। চার লেন বিশিষ্ট ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেল লাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল সেতুর পাইলিং ও নদীশাসনের কাজ উদ্বোধন করেন। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হতে শুরু করে পদ্মা সেতুর কাঠামো। এরপর একে একে সব ধাপ পেরিয়ে পদ্মার বুকে ৪২টি পিলারের ওপর দৃশ্যমান হয়ে ওঠে স্বপ্নের সেতু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সেতু চালু হলে বাংলাদেশের জিডিপি ১.২ থেকে ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

news24bd.tv/আলী