প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বায়েজিদের পরিবার
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বায়েজিদের পরিবার

সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বায়েজিদের পরিবার

অনলাইন ডেস্ক

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর  রেলিং এর থেকে নাট-বল্টু খুলে সারা দেশে ব্যাপক আলোচিত পটুয়াখালীর বায়েজিদ তালহা মৃধা। ইতোমধ্যে তাকে সিআইডি পুলিশ গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে পাঠিয়েছে। এদিকে বায়েজিদের এমন কাণ্ডে  প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের তেলিখালী গ্রামের নির্মাণশ্রমিক মো. আলাউদ্দিন মৃধার ছোট ছেলে মো. বায়েজিদ তালহা মৃধা।

বায়েজিদ স্থানীয় গাবুয়া উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরে ঢাকা কলেজ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন। বর্তমানে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিরত আছেন। তবে বায়েজিদ ঢাকায় থাকায় স্থানীয়ভাবে তেমন পরিচিত নন। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে গ্রামের বাড়ি এলেও দু-এক দিন থেকে আবার ঢাকায় ফিরে যেতেন।

গত রোববার পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পরদিন রেলিং থেকে নাট-বল্টু খুলে একটি ভিডিও তার নিজস্ব টিকটক আইডিতে ছাড়েন বায়েজিদ। মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়। এতে শুরু হয় নানা ধরনের সমালোচনা। পরে সিআইডি পুলিশ ঢাকার শান্তিনগর থেকে বায়েজিদকে গ্রেপ্তার করে।

বায়েজিদের পরিবারের বক্তব্য
এদিকে বায়েজিদ পদ্মা সেতুর রেলিং থেকে নাট-বল্টু খোলায় অনুতপ্ত পরিবার ও স্থানীয়রা। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

বায়েজিদের মেজ ভাবি হাদিসা আক্তার ও ছোট চাচি ফরিদা বেগম বলেন, বায়েজিদ মানুষ হিসেবে ভালো। ও বাড়িতে আসলে নিকট আত্মীয় ছাড়া তেমন কারও সঙ্গে মিশত না। যেহেতু একটি কাজ খারাপ করেছে, এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা ক্ষমা চাই। ওকে যেন ক্ষমা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। ও আর এ ভুল করবে না।  

সদরের লাউকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন মানিক বলেন, বায়েজিদের পরিবার একটি ধার্মিক পরিবার। বায়েজিদ বা তার পরিবার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের তেলিখালী গ্রামের নির্মাণশ্রমিক মো. আলাউদ্দিন মৃধা ও পিয়ারা বেগম দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে বায়েজিদ তালহা মৃধা ছোট। বড় ছেলে সিপন মৃধা খুলনা কাস্টমস রেভিনিউ অফিসার ও মেজ ছেলে সোহাগ মৃধা পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি করেন।

news24bd.tv/আলী