মুকুল বোসের মৃত্যুতে শিল্পী-সংগঠক পপলুর শোক
মুকুল বোসের মৃত্যুতে শিল্পী-সংগঠক পপলুর শোক

মুকুল বোসের মৃত্যুতে শিল্পী-সংগঠক পপলুর শোক

অনলাইন ডেস্ক

ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল বোসের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর স্মৃতি জাদুঘর পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিল্পী ও সংগঠক আশরাফুল আলম পপলু।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনীতির চরম দুঃসময়ে মুকুল বোসের যে ত্যাগ এবং অবদান তা চিরস্মরণীয়। ’

তিনি আর বলেন, ‘সকল লোভ লালসা ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে তুলে ধরেছেন মুকুল বোস। এই ত্যাগী নেতার প্রয়াণে আওয়ামী লীগ তথা দেশের যে ক্ষতি হলো তা অপুরণীয়।

বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে কারা-নির্যাতনভোগকারী এ নেতাকে বঙ্গবন্ধুর অনুসারী তথা দেশের মানুষ চিরদিন স্মরণ করবে। ’

আশরাফুল আলম পপলু বাবু মুকুল বোসের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।

শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ভারতের চেন্নাই অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মুকুল বোস। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

মুুকুল বোসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতিও গভীর সমবেদনা জানান।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তাকে ১ জুন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কাউন্সিলের প্রথমে মুকুল বোসকে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়। কিছুদিন পরে তাকে উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য করা হয়।

মুকুল বোস আওয়ামী লীগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে তৃণমূল স্তরের নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। এর আগে তিনি দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা-পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে আন্দোলন সংগ্রামে প্রথমসারির একজন সংগঠক হিসেবে মুকুল বোসের অবদান সবসময় স্বীকার্য। মুকুল বোস ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের প্রথমসারির একজন সংগঠক ছিলেন।

news24bd.tv তৌহিদ