পদ্মা সেতুর রক্ষণাবেক্ষণে নজর দেয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

পদ্মা সেতুর রক্ষণাবেক্ষণে নজর দেয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

শাহনাজ ইয়াসমিন

প্রমত্তা পদ্মা যার গতি প্রকৃতি বড়ই জটিল। তাই সেতু নির্মাণ ও নদী শাসনে বেশি ঘাম ছড়াতে হয়েছে প্রকৌশলীদের। পানি বিশেষজ্ঞ  ড. আইনুন নিশাত বলছেন, সেতু এবং নদীর রক্ষণাবেক্ষণে নতুন করে প্রকৌশলী নিয়োগ করতে হবে সেতু বিভাগকে। এ জন্য একটি গাইড লাইনও দেয়া হয়েছে।

পরবর্তীতে যারা সেতু পরিচালনা করবে তাদেরকেই নিতে হবে মূল দায়িত্ব।

আমাজনের পর বিশ্বে পদ্মাই সবচেয়ে শক্তিশালী নদী। এতটাই খরস্রোতা যে, বারবার বদলায় তার রূপ। বর্ষায় প্রতি ছয় সেকেন্ডে বদলায় গতিপথ। প্রতি সেকেন্ডে আসে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ কিউসেক ফিট পানি। সাথে আসে বিপুল পরিমান পলি। এতে প্রতিনিয়ত কোথাও উচু আবার কোথাও গভীর হয় এই নদী।  

উত্তাল আর হেয়ালী পদ্মায় সেতু নির্মাণের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় একাধিক ড্রেজার দিয়ে পরিকল্পনা মাফিক কাটা হয়েছে নদীর তলদেশ। পরিবর্তনশীল নদী হওয়ায় সেতুর নীচের মাটি এদিক ওদিক সরে যাওয়ার আছে শঙ্কা। নদী শাসন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান ড. আইনুন নিশাতের মতে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।

সেতুতে অতি ভারি যানবাহন উঠার ব্যাপারে যেমন সতর্ক থাকতে হবে তেমনী রেল চলাচল শুরু হওয়ার পর অধিক বৃষ্টি ঝড়ে যাতে রেল চলাচল বন্ধ থাকে সে ব্যাপারেও একইরকম সতর্ক থাকতে হবে, এমনটাই পরামর্শ এই বিশেষজ্ঞের।

নদী শাসনের জন্য সবসময় আলদা বরাদ্দ রাখার পরামর্শ দিয়ে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, মনিটরিং যে গাইড লাইন দেয়া হয়েছে সেটার পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণ করতে হবে।

news24bd.tv/কামরুল