টয়লেটে পানি না দেয়ার জেরে ভাবিকে হত্যা, দেবরের যাবজ্জীবন
টয়লেটে পানি না দেয়ার জেরে ভাবিকে হত্যা, দেবরের যাবজ্জীবন

সংগৃহীত ছবি

টয়লেটে পানি না দেয়ার জেরে ভাবিকে হত্যা, দেবরের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৯ বছর আগে কোদালের আঘাতে ভাবিকে হত্যা করেছিলো দেবর। এঘটনার মামলায় দেবর শুকুর আলীকে যাবজ্জীবন কারদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে যা অনাদায়ে আরো ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ শুনানি শেষে রায় ঘোষণা শেষে আসামীকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

 

আজ সোমবার (৪ জুলাই) অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম এ রায় দেন। আদালতের সরকারি আইনজীবি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর নাম মো. শুকুর আলী। তার বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার পশ্চিম চর রামকৃষ্ণপুরে।  

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২০ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টায় বাড়ির টয়লেটে বসে ভাতিজা বিথীর কাছে পানি চায় শুকুর আলী। সে পানি না দিয়ে চলে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ শুরু করে শুকুর। এসময় বিথীর মা রওশনা তাকে ‘নিজের পানি নিজে নিতে পারোনা’ বলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠানে থাকা কোদালের উল্টো পাশ দিয়ে ভাবীর মাথায় আঘাত করে। সেখানেই রওশনার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা শুকুর আলীকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় নিহত রওশনার ভাই আলী আজগর মামলা করেন।  

এদিকে অপর এক অস্ত্র মামলায় তাজুব্বর মালিথাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন একই আদালত। ২০১২ সালের ১৬ জুন মিরপুর উপজেলার চিথলিয়ায় আম-কাঠালের বাগান থেকে দেশীয় এলজি গান ও ৩ রাউন্ড গুলিসহ মালিথাকে আটক করে পুলিশ। তাকেও জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।  

news24bd.tv/desk