আশাশুনি বাঁকড়া ব্রিজ ভেঙে নদী গর্ভে
আশাশুনি বাঁকড়া ব্রিজ ভেঙে নদী গর্ভে

আশাশুনি বাঁকড়া ব্রিজ ভেঙে নদী গর্ভে

মনিরুল ইসলাম মনি, সাতক্ষীরা

মরিচ্চাপ নদী খননের কারণে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বাঁকড়া ব্রিজটি ভেঙে পড়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে কোনো এক সময়ে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। ফলে ওই ব্রিজ দিয়ে জনসাধারণ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বুধবার সকাল থেকে চরম দুর্ভোগে পড়ে এলাকাবাসী। আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে অবস্থিত মরিচ্চাপ নদীর উপর নির্মিত বাঁকড়া ব্রিজটির পার্শ্ববর্তী মসজিদে ফজরের নামাজ পড়তে এসে মুসুল্লিরা ব্রিজটির পিলারের মাটি ধ্বসে ভেঙে পড়ার বিষয়টি তাদের নজরে আসে।

গভীর রাতে ভেঙে পড়ার কারণে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এলাকাবাসী জানিয়েছে, মরিচ্চাপ নদী খননের কারণে খননকৃত নদীর প্রস্থের তুলনায় ব্রিজটির দৈর্ঘ্য সামান্য কম হওয়ায় বেশ কিছু দিন থেকে ব্রিজটির পিলার থেকে মাটি ধসে কিছুটা দুর্বল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো। এ অবস্থায় তাৎক্ষনিক ওই ব্রিজটি সংস্কার না করে নিয়মিত ব্রিজের উপর দিয়ে ছোট-বড় যানবাহনসহ ভারি পণ্যবাহী যান চলাচল করতো। ব্রিজটির মাঝখানের অংশটি ডেবে গিয়ে দুই ধারের অংশ বিচ্ছিন হয়ে ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ে। ফলে বুধহাটা, শোভনালী ইউনিয়নসহ আশাশুনি সদর এবং সাতক্ষীরা জেলা শহরে চলাচল করতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী।

আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম জানান, বাঁকড়া ব্রিজটি শোভনালী ইউনিয়নের মধ্যে অবস্থিত হলেও অপরপ্রান্তে বুধহাটা ইউনিয়ন। ফলে বাঁকড়া ব্রিজটি বুধহাট ইউনিয়ন ও শোভনালী ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করতো। জলাবদ্বতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক মরিচ্চাপ নদী খননের কারণে ব্রিজের নীচ থেকে পলি অপসারণ ও মাটি কাটার কারণে হঠাৎ মঙ্গলবার রাতে ব্রিজটি ধ্বসে পড়ে। ফলে আশাশুনি সদর, বুধহাটা ও শোভনালী ইউনিয়নের দুই প্রান্তে অবস্থিত বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চলাচলে পড়েছে চরম দুর্ভোগে। এছাড়া পণ্যপরিবহন নিয়ে এলাকাবাসী বুধহাটা বাজার ও আশাশুনি সদর এবং সাতক্ষীরা জেলা শহরে আসতে তাদের অনেক পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। অচিরেই ব্রিজটি সংস্কার করা না হলে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে।

news24bd.tv তৌহিদ