আর শীর্ষ ধনী থাকতে চান না বিল গেটস
আর শীর্ষ ধনী থাকতে চান না বিল গেটস

সংগৃহীত ছবি

বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে ২ হাজার কোটি ডলার অনুদান

আর শীর্ষ ধনী থাকতে চান না বিল গেটস

অনলাইন ডেস্ক

বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। কিন্তু তিনি আর বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায় থাকতে চান না । এজন্য তাঁর সম্পদ দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।  

গত বুধবার বিল গেটস তাঁর দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে আরও ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার অনুদান দেন।

ফাউন্ডেশনের বার্ষিক কার্যক্রমকে আরও বাড়াতে তিনি এ অনুদান দিচ্ছেন বলে ঘোষণা দেন। এরপর তিনি আরও সম্পদ দান করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, সমাজে তাঁর সম্পদগুলো দান করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। খবর বিবিসির।


এর আগে বিল গেটস ২০১০ সালে তাঁর সব সম্পদ দান করার ঘোষণা দেন। কিন্তু এরপর থেকে তাঁর সম্পদ দ্বিগুণ হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গেটসের সম্পদমূল্য ১১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে জুলাই মাসে দান করা সম্পদ ফাউন্ডেশনে চলে গেলে গেটসের মূল সম্পদ অনেক কমে যাবে। ২২ বছর আগে বিল গেটস ও তাঁর সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস মিলে এই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এটিকে বিশ্বের অন্যতম বড় দাতব্য সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

টুইটারে বিল গেটস বলেছেন, তাঁর ফাউন্ডেশন থেকে বার্ষিক সহায়তার পরিমাণ ২০২৬ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬ বিলিয়ন থেকে ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। ফাউন্ডেশনে দান করা অর্থ মহামারি, ইউক্রেন যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যবহৃত হবে।

বিল গেটস বলেছেন, ‘আমি ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে সব ফাউন্ডেশনকে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি। আমি বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকা থেকে নিচে চলে যাব এবং ধনীর তালিকায় থাকব না। আমার সম্পদ সমাজকে ফেরত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যাতে মানুষের দুঃখকষ্ট কমাতে ও জীবনকে উন্নত করার জন্য প্রভাব ফেলে। আমি আশা করি অন্য ধনকুবেররাও এতে এগিয়ে আসবেন। ’

বিল গেটসের নতুন এই অনুদানের মধ্য দিয়ে ২২ বছরের বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটসের অনুদানসংশ্লিষ্ট অর্থের পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে গত মাসে ওয়ারেন বাফেটের কাছ থেকে পাওয়া ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অনুদানও রয়েছে।

গেটস ফাউন্ডেশন ম্যালেরিয়ার মতো রোগ নির্মূল, শিক্ষার উন্নতি এবং দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা পরিস্থিতি মোকাবিলায় অক্ষম দেশগুলোতে কাজ করে। এ ছাড়া ফাউন্ডেশনটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বৃহত্তম দাতা হিসেবেও পরিচিত।

news24bd.tv/desk