সেই রিজার্ভ এখন কোথায়, প্রশ্ন টুকুর
সেই রিজার্ভ এখন কোথায়, প্রশ্ন টুকুর

সেই রিজার্ভ এখন কোথায়, প্রশ্ন টুকুর

আলী তালুকদার

বিদ্যুৎতের এই পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের পকেট থেকে টাকা নেওয়া সরকারের কুটচাল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিতে পড়ে গেছে।  কিছু লোকের পেট মোটা করে জনগণের পকেট কেটে নিয়েছে এই সরকার।

টুকু বলেছেন, শতভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন সত্ত্বেও সরকারকে কেন এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্তে আসতে হলো? আসলে সরকার সংকট মোকাবেলা করার জন্য এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং করেনি।

এটা করেছে- বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়ার কারণে। ডলার সংকটের কারণে তেল, গ্যাস আমদানি করতে পারছে না। ফলে কম বিদ্যুৎ খরচ হলে আমদানিও কম লাগবে। সেজন্যই এই লোডশেডিং।  

সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, সরকার এতো ঢোল পেটালো সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক-কেও ছাড়িয়ে গেছি আমরা, সেই রিজার্ভ এখন কোথায়? হঠাৎ করে নাই হয়ে গেল কেন? আজকে দেশ অর্থনৈতিক ক্রাইসিসে দাঁড়িয়ে গেছে। এটার জন্য সরকারই পুরোপুরি দায়ী।

এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আগে লোডশেডিংয়ে মানুষকে পে করতে হয়নি। এখন মিউজিয়ামে যাওয়া লোডশেডিংকে ফেরত এনে জনগণকে পে করতে হচ্ছে। লোডশেডিং সত্ত্বেও কেন মানুষকে পেমেন্ট করতে হচ্ছে- সেটিই বড় প্রশ্ন।

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনায় বলা ছিল ৬৪ ভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন থাকবে সরকারের হাতে, আর ৩৬ ভাগ থাকবে বেসরকারি হাতে। কিন্তু সরকার তড়িঘড়ি করে বেজ প্লান্টগুলো বেসরকারি সেক্টরে দিয়ে দিল। সবকিছু মিলে আমি মনে করি এই পরিকল্পনা খারাপ ছিল। দূরভিসন্ধিমূলক ছিল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল। যার ফলে আমাদের বিদ্যুতের যে আইন, সেগুলো জলাঞ্জলি দিয়ে সংসদে আইন পাশ করে যাকে ইচ্ছে তাকে পাওয়ার স্টেশন দিয়েছে। শতভাগ বিদ্যুতের দেশ বলে হাতিরঝিলে অনেক ফানুস উড়লো। কিন্তু আজকে এসে আমরা বিদ্যুৎ পাচ্ছি না।

news24bd.tv তৌহিদ