মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও পুলিশ কনস্টেবলের লাশ উদ্ধার 
মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও পুলিশ কনস্টেবলের লাশ উদ্ধার 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তার ও কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান

মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও পুলিশ কনস্টেবলের লাশ উদ্ধার 

অনলাইন ডেস্ক

মাগুরায় খুলনা মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার লাবণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামে নানাবাড়িতে দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। খন্দকার লাবণী খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের এডিসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই দিন আগে ছুটিতে মাগুরায় গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।

তিনি বিসিএস ৩০ ব্যাচের ছিলেন।

জানা যায়, রাত ১২টার দিকে নানা বাড়িতে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন খন্দকার লাবণী। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে গতকাল বুধবার (২০ জুলাই) দিনগত রাত ১১টার দিকে মাহমুদুল হাসান (২৩) নামে এক কনস্টেবলের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায় মাগুরা পুলিশ লাইন্স ব্যারাকের ছাদে। পুলিশের ধারণা, মাহমুদুল হাসান সরকারি অস্ত্র দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুরে। তিনি দেড় মাস আগে মাগুরায় বদলি হন।

পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, বদলির আগে কনস্টেবল মাহমুদুল খুলনায় কর্মরত ছিলেন। সেখানে তিনি নিহত পুলিশ কর্মকর্তা খন্দকার লাবণীর দেহরক্ষী ছিলেন। দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় কোনো যোগসূত্র আছে কিনা সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত খন্দকার লাবণীর বাড়ি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বরালিদহ গ্রামে। তাঁর স্বামী তারেক আবদুল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক (এডি) হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে এখন ভারতে চিকিৎসাধীন।  

এদিকে লাবনী আক্তারের বাবা শফিকুল আজম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে লাবনীর স্বামীর সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। স্বামীর সঙ্গে তার বনিবনা হচ্ছিল না। সেজন্যই হয়তো আমার মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।

ঘটনা দুটির সত্যতা নিশ্চিত করে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কামরুল হাসান জানান, ঘটনা দুটো আত্মহত্যা নাকি হত্যা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দু’জনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv/desk