খুলনায় বিস্ফোরক মামলার আসামিদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
খুলনায় বিস্ফোরক মামলার আসামিদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

খুলনায় বিস্ফোরক মামলার আসামিদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

খুলনায় বিস্ফোরক মামলার আসামিদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

খুলনার ডুমুরিয়ায় ষড়যন্ত্রমূলক বাড়িতে বোমা সদৃশ বস্তু লুকিয়ে রেখে ৯৯৯-এ ফোন করে নিজেরাই ফেঁসে যাওয়া আলোচিত বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার দুই আসামি জামিনে বের হয়েছে। তারা ভুক্তভোগী মোরশেদ সরদার ও তার পরিবারকে জীবননাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ভূক্তভোগীরা থানায় জিডি করেছেন। ডুমুরিয়া থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।

আজ শনিবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ধামালিয়া গ্রামের সরদার মাশরুক হাসানের মেয়ে ড. তাজিয়া সরদার জানান, স্পর্শকাতর বিষ্ফোরক মামলার আসামি হরিদাশ মন্ডল ও জাহিদ হাসান রিমুকে জামিনে বাইরে বের হয়ে আবারও জীবননাশের হুমকি দিচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য মোরশেদ সরদার ২৭ জুলাই ডুমুরিয়া থানায় জিডি করেন।  

পুলিশ জিডির বিষয়ে তদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করলেও আদালত কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। আলোচিত বিস্ফোরক মামলার আসামিরা এলাকায় বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফলে ভুক্তভোগীরা আতঙ্কে দিন পার করছে।  

সংবাদ সম্মেলনে বিস্ফোরক মামলার আসামীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, ডুমুরিয়া ধামালিয়া গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ চেষ্টার ঘটনায় সরদার মাশরুক হাসান বুলুর দায়ের করা সিআর ১৯৬/২০২২ মামলার সাক্ষী মোরশেদ সরদারসহ চারজন। তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় ১৯ জুন সিআর ১৯৬/২০২২ মামলায় মাশরুক হাসান বুলুর পক্ষে প্রতিবেদন দেয় পিবিআই।  

এ ঘটনায় অভিযুক্ত এস কে বাকারের সহযোগী গ্রাম্য চিকিৎসক হরিদাশ মন্ডল সাক্ষী মোরশেদসহ চারজনকে ভয়-ভীতি দিয়ে ‘তদন্তে তারা মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছে’ মর্মে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করতে চাপ দেন। কিন্তু তারা রাজী না হওয়ায় ১৫ জুলাই মোরশেদ সরদারের বাড়িতে ১৫টি জর্দার কৌটায় লাল টেপ পেঁচানো বোমা সদৃশ বস্তু রেখে ৯৯৯-এ কল দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সেগুলো উদ্ধার করে ও প্রযুক্তি নির্ভর তদন্তে এ ঘটনায় হরিদাশ মন্ডলের সম্পৃক্ততা খুঁজে পায়।  

এরপর ২১ জুলাই পুলিশ বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় হরিদাশ মন্ডল, জাহিদ সরদার রিমু, নজির মোল্লা ও হুমায়ুন কবিরসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করে। ২১ জুলাই পুলিশ মামলার আসামি নজির মোল্লা এবং হুমায়ুন কবিরকে গ্রেফতার করে। পরে ২২ জুলাই র‍্যাব বিষ্ফোরক মামলার আসামি হরিদাশ মন্ডল ও জাহিদ হাসান রিমুকে গ্রেফতার করে পুলিশে সোপর্দ করে।  

news24bd.tv/রিমু