‘বিপিসির আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে’
‘বিপিসির আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে’

সংগৃহীত ছবি

‘বিপিসির আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে’

অনলাইন ডেস্ক

দুই মাসের আমদানি ব্যয় ব্যাংকের চলতি হিসাবে রেখে এফডিআর ভেঙে আমদানি করা তেলের দাম পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিপিসির যে আর্থিক তথ্য দেয়া হয়েছে তা সঠিক নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

লাভ-লোকসান নিয়ে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বিপিসির চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের কাছ থেকে কোনো ভর্তুকি না নিয়ে প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ টাকা থেকে গত ৬ মাস জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেলে বিপিসির চলতি মূলধনের উপর চাপ পড়ে বলেও জানান তিনি।

ডলারের মান ও তেল বিক্রির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকলে মাসে ২০৫ কোটি টাকা লাভ করতে পারে বিপিসি।

তিনি ‍আরো বলেন, প্রকৃতপক্ষে দুই মাসের তেল আমদানির প্রস্তুতি হিসেবে ১৯ হাজার কোটি টাকা আছে। নিরাপদ জ্বালানি তেল সরবরাহের জন্য এই প্রস্তুতি জরুরি। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকার কারণে ১১ টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য এফডিআর করে রাখা টাকারও বড় অংশ খরচ করতে হয়েছে।

তিনি আশ্বস্ত করে বলেন মজুদ নিয়ে ঝুঁকি নেই। ডিজেল ৩০ দিনের, অকটেন ১৯ এবং পেট্রোল আছে ১৮ দিনের। ১০ দিনের মধ্যে আসবে নতুন চালান।

news24bd.tv/আজিজ