'সুইস ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েও সাড়া পায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক'
'সুইস ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েও সাড়া পায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক'

প্রতীকী ছবি

হাইকোর্টকে দুদক

'সুইস ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েও সাড়া পায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক'

অনলাইন ডেস্ক

সুইস ব্যাংকে সবশেষ তিনবার অর্থ পাচারকারীদের তথ্য চেয়েও সাড়া পায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক, হাইকোর্টকে এমন তথ্য জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ রোববার সকালে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবশেষ তিনবার সুইস ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দিলে দুইবার কোন সাড়া দেয়নি, তবে একবার উত্তরে জানিয়েছে জানা নেই।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক।

একইসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএফআইইউ শাখা থেকে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

তারা বলছে, গত ১৭ই জুন সুইজারল্যান্ডের এফআইইউ এর মাধ্যমে সুইস ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশের ৬৭ জনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একজনের তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে, সুইস ব্যাংকে অবৈধ পথে বাংলাদেশিরা যেসব অর্থ জমা রেখেছেন বা পাচার করেছেন সেসব বিষয়ে সরকার ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, সেটি স্বপ্রণোদিত হয়ে জানতে চান হাইকোর্ট।

গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের কাছে এই প্রশ্ন রাখেন। আদালত প্রকাশিত সংবাদের রেফারেন্স টেনে জানতে চান কী পরিমাণ অর্থ সুইচ ব্যাংকে পাচার হয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার ও দুদক কী পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে রাষ্ট্রপক্ষ বা দুদক কোনো তথ্য দিতে পারেনি আদালতকে। তাই আজ রোববারের মধ্যে এ বিষয়ে কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা হাইকোর্টকে জানাতে নির্দেশ দেয়া হয় দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে।

উল্লেখ্য, বুধবার (১০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিক্যাব টক অনুষ্ঠানে সুইজারল্যান্ড কালো টাকা রাখার স্বর্গরাজ্য নয় উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড বলেন, সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা নিয়ে নির্দিষ্ট করে কারও তথ্য সুইজারল্যান্ড সরকারের কাছে চায়নি বাংলাদেশ।

news24bd.tv/রিমু