রিকশা খুইয়ে নিজেই গড়ে তোলেন রিকশা চোর চক্র!
রিকশা খুইয়ে নিজেই গড়ে তোলেন রিকশা চোর চক্র!

রিকশা খুইয়ে নিজেই গড়ে তোলেন রিকশা চোর চক্র!

দীর্ঘ ৭ বছর ধরে পাঁচ শতাধিক ব্যাটারি চালিত রিকশা চুরি করেছেন কামাল ও তার সহযোগীরা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা চুরির পর রং পরিবর্তন করে সেগুলো বাজারে বিক্রি করতেন। দীর্ঘদিন রিকশা চুরি ও ছিনতাইয়ের পরে অবশেষে র‍্যাবের হাতে ধরা পড়েছে চক্রের প্রধানসহ চারজন।

বুধবার কারওয়ানবাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি জানান, একা একা রিকশা চুরিতে হাত পাকিয়ে কমল ধীরে ধীরে একটি চক্র গড়ে তোলেন। চক্রটি রাজধানীতে অভিনব কায়দায় রিকশা চুরি করত। তারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রিকশা নিয়ে ঘুরে বেড়াত। সাজু ওই রিকশা চালিয়ে যেতেন।
পথে নতুন কোনো রিকশা দেখলে সেটিকে টার্গেট করা হতো।

পটুয়াখালী থেকে কামাল হোসেন কমল ১৫ বছর আগে ঢাকায় এসে রিকশা চালানো শুরু করেন। ভাড়ায় চালানো সেই রিকশাটি একদিন চুরি হয়ে যায়। ধারদেনা করে মালিককে সেই রিকশার দাম পরিশোধ করেন কমল। চুরি যাওয়া রিকশার খোঁজ করতে গিয়ে তিনি সন্ধান পান চোর চক্রের। একপর্যায়ে নিজেও জড়িয়ে পড়েন এই চক্রে। নিজেই গড়ে তোলেন রিকশা চোর চক্র।

ব্রিফিংয়ে আরিফ মহিউদ্দিন আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা চুরির পর সবুজবাগ-মুগদা এলাকায় বিভিন্ন গ্যারেজে সেগুলো রাখতেন কমল। পরে রং পরিবর্তন করে সেগুলো বাজারে বিক্রি করতেন। চক্রটি ৭ বছরে পাঁচ শতাধিক ব্যাটারিচালিত রিকশা চুরি ও ছিনতাই করেছে। সর্বস্বান্ত করেছে গরিব রিকশাচালক ও মালিকদের।

অবশেষে বুধবার ভোরে কমলসহ এই চোর চক্রের চার সদস্য ধরা পড়ে র‍্যাবের হাতে। অন্য তিনজন হলেন- সাজু, ফজলু ও শাহিন সরদার। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৩টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ১৮টি রিকশার চার্জার ব্যাটারি, চারটি মোবাইল ফোন, চারটি মাস্টার চাবি ও নগদ ১৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

news24bd.tv/FA