দাবানলে পুড়ছে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ
দাবানলে পুড়ছে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ

প্রতীকী ছবি

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে

দাবানলে পুড়ছে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ

নিবিড় আমীন

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দাবানলে পুড়ছে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ। আবার ফ্রান্স, ভারত, নিউজিল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশ পড়েছে বন্যার কবলে। ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে বহু বাসিন্দা। অন্যদিকে রেকর্ড তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে দক্ষিণ পশ্চিম চীনের ৫০ লাখ মানুষ।

 

তীব্র তাবপ্রবাহের কারণে ভয়াবহ সংকটজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ইউরোপজুড়ে। স্পেনের পূর্বাঞ্চলীয় ভ্যালেন্সিয়া নগরীর উত্তর-পশিচমে একটি ট্রেন পড়েছে বড় ধরণের দাবানলের কবলে। আগুন থেকে বাঁচার চেষ্টা চালাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়েছে অন্তত ১০ যাত্রী। গুরুতর আহত হয়েছে ৪ জন।

দাবানলের কেবল থেকে বছরে দেশটির বেজিস এবং এর আশেপাশের কয়েকটি শহর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষ।

সমগ্র ইউরোপজুড়ে খরা কমিয়ে দিয়েছে বহু নদীর পানি প্রবাহ। উপনদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় ফ্রান্সের লোয়ার নদীতে দেখা গেছে অস্বাভাবিক নিম্নচাপ। একই চিত্র জার্মানির রাইন নদীরও। এসব পরিস্তিতির প্রভাব পড়েছে শিল্প, পণ্য পরিবহন, বিদ্যুৎ ও খাদ্য উৎপাদনে। তবে বেশ কয়েকটি দেশে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ উল্টোচিত্র।

নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপে গতকাল বুধবার প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে প্লাবিত হয়েছে নদী, বাড়িঘর এবং রাস্তাঘাট। প্রায় ২শ পরিবার সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

ভারতের মহারাষ্ট্র, গুজরাট, ওড়িশাসহ একাধিক রাজ্যে নদী উপচে পরে সৃষ্টি হয়েছে বন্যা পরিস্থির। ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে বহু মানুষ।

সেখানকার বাসিন্দারা জানান, বৃষ্টির কারণে নদী উপচে পড়ছে। পানির প্রবাহও অনেক বেশি। বহু ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

তারা আরও জানান, অনেক সমস্যা হচ্ছে আমাদের। পানীয় জল বা খাবার নেই। ক্ষুধার্থ অবস্থায় আটকে রয়েছে অনেকেই।

এদিকে ভয়াবহ সংকটের মধ্যে রয়েছে চীনও। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দেশটির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ। রেকর্ড তাপপ্রবাহের জন্য সৃষ্টি খরা চোঙকিঙ, সিচুয়ান এবং আনহুই প্রদেশের ফসলের জন্য সৃষ্টি করেছে মারাত্মক হুমকি।

আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সিচুয়ান এবং মধ্য চীনের বড় অংশে উচ্চ তাপমাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর।

news24bd.tv রিমু