‘শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে’ বক্তব্য মিডিয়ার ভিন্ন উপস্থাপন’
‘শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে’ বক্তব্য মিডিয়ার ভিন্ন উপস্থাপন’

‘শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে’ বক্তব্য মিডিয়ার ভিন্ন উপস্থাপন’

অনলাইন ডেস্ক

‘ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে’ গতকাল বৃহস্পতিবার জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের দেওয়া বক্তব্য মিডিয়া ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছে বলে দাবি করেছেন তিনি। আব্দুল মোমেন বলেছেন, দেশে সবার বাকস্বাধীনতা রয়েছে। তাই সবাই সব কথা বলতে পারেন। তবে বক্তব্য অন্যভাবে উপস্থাপন হলে দুঃখ লাগে।

তিনি মিডিয়াকে একটু সহনশীল হওয়ার অনুরোধ জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ শুক্রবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের জনগণ খুব কষ্টে আছে। হঠাৎ করে দাম বেড়ে গেল।

যে তেল ৯০ টাকা ছিল সেটা হয়ে গেল ১৫০ টাকা। আমি এটা কোনোভাবে মেলাতে পারি না। সর্বমোট ডিজেলের দাম বেড়েছে ২৮ টাকা প্রতি লিটারে। দাম ধরা উচিত ছিল এক টাকা বা কয়েক পয়সা। কিন্তু একি কাণ্ড! এত দাম! সবকিছুর দাম হুহু করে বেড়ে উঠল। আমরা এই জন্য খুব উদ্বিগ্ন। শেখ হাসিনার সরকার সাধারণ মানুষের বন্ধু। আমরা সরকারে আছি সাধারণ লোকের জন্য। মানুষের যাতে কষ্ট না হয় সেটা আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ইসরাইলে যখন যুদ্ধ হয় তেলের দাম বাড়ে আর পৃথিবীতে খাদ্য ঘাটতি হয়। এখন ৫০ বছর পরে আমি তাজ্জব এখনো তেলের দাম বেড়েছে যুদ্ধ একটা লেগেছে আর খাদ্যদ্রব্যেরও দাম বাড়ে। এটা খুব আশ্চর্যের বিষয়। তবে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ এ দেশটা আমাদের। দেশে যদি অস্থিতিশীলতা তৈরি হয় তাহলে যারা অপপ্রচার করে তারাও ভালো থাকতে পারবে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, শেখ হাসিনা আছেন বলেই আমাদের দেশের উন্নয়ন হচ্ছে, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্পীতি আছে। অসাম্প্রদায়িক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুললে সবার মঙ্গল হবে। আর এদেশে যত নাগরিক আছে সে যেকোনো ধর্মের হোক সবার সমান অধিকার। শেখ হাসিনা যদি সরকারে থাকেন তাহলে স্থিতিশীলতা থাকে। আর স্থিতিশীলতা থাকলেই আমাদের উন্নয়নের মশাল অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরীর জেএমসেন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলে, ভারতের নয়াদিল্লিতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে আমার দেখা হয়। আমি দেশটিতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। আজকে অনেকের বক্তব্যতে সেটাই এসেছে। শেখ হাসিনা আমাদের আদর্শ। তাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ভারতবর্ষের সরকারকে সেটা করতে অনুরোধ করেছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখলে আমাদের দেশ উন্নয়নের দিকে যাবে এবং সত্যিকারের সাম্প্রদায়িকতামুক্ত একটা দেশ হবে। অনেকেই আমাকে ভারতের দালাল বলেন। কারণ অনেক কিছু হয়, আমি স্ট্রং স্টেটমেন্ট দিই না। কিন্তু আমারও তো একটি কনস্টিটিউয়েন্সি আছে। সেটাকে তো আমি ইগনোর করতে পারি না।

news24bd.tv/তৌহিদ