যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৯ বছর পর স্বামীর যাবজ্জীবন
যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৯ বছর পর স্বামীর যাবজ্জীবন

সংগৃহীত ছবি

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৯ বছর পর স্বামীর যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী আব্দুল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস করা হয়েছে।

মামলার ১৯ বছর পর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মহিউদ্দিন মুরাদ রোববার (২১ আগস্ট) দুপুরে এ রায় দেন।  রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহ পলাতক ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ৭ আগস্ট দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার (বর্তমান শান্তিগঞ্জ) জয়কলস গ্রামের আব্দুল্লাহের সঙ্গে শেফালী বেগমের বিয়ে হয়। অভাব অনটনের কারণে তাদের সংসারে প্রায়ই ঝগড়া হতো।

ঘটনার প্রায় দুই মাস আগে আব্দুল্লাহ সৌদি আরব যাওয়ার জন্য  শেফালীর কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবী করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ২০০৩ সালের ২৭ অক্টোবর শেফালীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন আব্দুল্লাহ।

পরে বাড়ির পেছনে থাকা আমগাছে ঝুলিয়ে শেফালীকে হত্যা করে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার ও আলামত জব্দ করে পুলিশ। হত্যার পর শেফালী বেগমের শরীরে বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় নিহতের মা মালেকা বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০০৪ সালে স্বামী আব্দুল্লাহ, তার বাবা খাসিদ আলী ও মা সৈয়দুন্নেছার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে তদন্তকারী কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ আব্দুল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছ।

news24bd.tv/মামুন