ইমরান খানের বক্তব্য সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
ইমরান খানের বক্তব্য সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা

সংগৃহীত ছবি

ইমরান খানের বক্তব্য সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিরোধী দল পিটিআইর চেয়ারম্যান ইমরান খানের বক্তব্য টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে সমালোচনা করায় রোববার (২১ আগস্ট) তার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা দেয় দেশটির ইলেকট্রনিক মিডিয়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা (পেমরা)। খবর আল জাজিরার।

এক বিবৃতিতে পেমরা বলেছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইমরান খান ‘ভিত্তিহীন অভিযোগ’ ও ‘ঘৃণা’ ছড়াচ্ছেন।

ছয় পৃষ্ঠার এক বিজ্ঞপ্তিতেে আরও বলা হয়েছে, ইমরান খানের বক্তব্য পেমরার নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। তবে নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও সম্পাদনার পর ধারণ করা বক্তব্য সম্প্রচার করা যাবে।

এ নির্দেশনা না মানলে নিউজ চ্যানেলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে পেমরা। সংস্থাটির মতে, অধ্যাদেশ ২০২২-এর ধারা ২৭-এর অধীন ইমরান খানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে ইসলামাবাদের এফ-নাইন পার্কে ইমরান খানের বক্তৃতা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রধানের বক্তব্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। কারণ তিনি তার বক্তৃতায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দেশের নাগরিকদের ক্রমাগত উসকানি দিচ্ছেন।

পেমরা আরও বলছে, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য সুয়ো মোটো মামলায় পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী। ইমরান খানের বক্তব্য লাহোরের উচ্চ আদালতের রায়েরও বিরুদ্ধে।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে পার্লামেন্টে বিরোধীদের আনা আস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা হারান ইমরান খান। এরপর ইমরান ও তার দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) ঘাঁটি পাঞ্জাব প্রদেশের উপনির্বাচন। পিএমএল-এনকে কোণঠাসা করে জয় পায় ইমরানের দল এবং রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন ইমরান।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে পিটিআইয়ের যে জনপ্রিয়তা, তাতেই শাসক দলের ভয়। কারণ দলটির জনপ্রিয়তা অব্যাহত থাকলে আগামী সাধারণ নির্বাচনের বৈতরণি বেশ ভালোভাবে পেরিয়ে যাবেন ইমরান এবং আবার সরকার গঠনে সক্ষম হবেন তিনি। সেটা রুখতে সরকার পিটিআইকে বিভিন্নভাবে কাবু করার চেষ্টা করছে।

news24bd.tv/আলী