জার্মানির অনুরোধে রাশিয়ার টারবাইন ফেরত দিতে সম্মত কানাডা
জার্মানির অনুরোধে রাশিয়ার টারবাইন ফেরত দিতে সম্মত কানাডা

সংগৃহীত ছবি

জার্মানির অনুরোধে রাশিয়ার টারবাইন ফেরত দিতে সম্মত কানাডা

অনলাইন ডেস্ক

গ্যাস পাইপলাইনে ব্যবহৃত রাশিয়ার ছয়টি টারবাইন মেরামতের জন্য নেওয়া হয় সিমেন্সের কানাডার কারখানায়। এরপরেই বাঁধে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ।  সিমেন্সের মন্ট্রিলের কারখানায় আটকে পড়া টারবাইনগুলো মেরামত হলেও এটি ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় কানাডা। অবশেষে জার্মান চ্যান্সেলরের অনুরোধে সেগুলো ফেরত দিতে সম্মত হয়েছে ট্রুডো সরকার।

কানাডা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রাশিয়ার সরকারি সংবাদ মাধ্যম আরটি।

প্রতিবেদনে সংবাদ মাধ্যমটি জানায়, বুধবার (২৪ আগস্ট) কানাডার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিভিশন চ্যানেল সিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে টারবাইনগুলো ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জোলি।  তিনি বলেন, ‘মেরামতের জন্য আনা রাশিয়ার পাঁচটি টারবাইন মন্ট্রিল থেকে জার্মানিতে ফেরত পাঠাতে সম্মত হয়েছে আমাদের সরকার। সম্প্রতি কানাডায় সফর করা জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের অনুরোধের পর এমনটি করা হলো।

জোলি আরও বলেন, ‘জার্মানি আমাদের যা জিজ্ঞেস করেছিল, আমরা ঠিক সেই সিদ্ধান্তটি নিয়েছি। ’

ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর থেকেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে থাকে কানাডা। ঠিক ওই সময়ে ছয়টি টারবাইন সিমেন্সের মন্ট্রিল কারখানায় আটকে পড়ে। জার্মানির অনুরোধে গত জুলাইয়ে টারবাইনগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে কানাডা। পরে একটি টারবাইন বার্লিনে পাঠানো হয়। তবে গ্যাজপ্রমের কাগজ-পত্র ঠিক না থাকার অজুহাতে টারবাইনটি ফেরত দেয় না জার্মানি।

রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল গোটা ইউরোপ; যার মধ্যে অন্যতম জার্মানি। নিষেধাজ্ঞার পর থেকে ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে মস্কো। গ্যাসের মাধ্যম ক্রেমলিন ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জিম্মি করছে বলে অভিযোগ করে ইউক্রেন ও রাশিয়া। তবে কিয়েভ ও বার্লিনের অভিযোগ অস্বীকার করে ক্রেমলিন। রুশ মালিকানাধীন গ্যাজপ্রম বলছে, কানাডায় আটকে থাকা টারবাইনের জন্য গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

news24bd.tv/মামুন