ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন জোপোরোজিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র
ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন জোপোরোজিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র

সংগৃহীত ছবি

ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন জোপোরোজিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র

অনলাইন ডেস্ক

রাশিয়ার দখলে রয়েছে ইউক্রেনে জোপোরোজিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ইউরোপের সর্ববৃহৎ এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ইউক্রেইনের পরমাণু সংস্থা ‘এনারোঅ্যাটম’ এ তথ্য জানিয়েছে।  খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানায়, জোপোরোজিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি চুল্লি চলমান রয়েছে। তবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিড বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মূলত বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে ওভারহেড ইলেকট্রিক তারে আগুন দেখা গেছে। এরপরেই প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থেকে ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলো।

ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে লড়াইয়ের বিষয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে এ ঘটনা ঘটলো।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে এক পোস্টে এনারোঅ্যাটম জানায়, প্ল্যান্টের পাশেই ওভারহেড লাইনে আগুন দেখা যায়। এতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি কর্মক্ষম পাওয়ার ইউনিট জাতীয় গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আরও তিনটি বিকল্প লাইন ইতিমধ্যেই রুশ বাহিনীর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে বিকিরণের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিডে পুনরায় সংযুক্ত করার কাজ চলছে।

ইউক্রেইনের দক্ষিণাঞ্চলে জোপোরোজিয়া কেন্দ্রের অবস্থান। ইউরোপে এটি সবচেয়ে বড় পারমাণবিক স্থাপনা। ইউক্রেনের মোট বিদ্যুতের এক পঞ্চমাংশ আসে জোপোরোজিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে।

গত মার্চে জোপোরোজিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র দখলে নেয় রুশ বাহিনী। তবে এটি এখনও পরিচালনা করছে ইউক্রেনীয়রা। রাশিয়ার দখলে যাওয়ার পর থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির আশেপাশে ভারী গোলাবর্ষণ হয়েছে। তবে হামলা নিয়ে এক অপরকে দুষছে কিয়েভ ও ক্রেমলিন।

ইউরোপের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিকটে হামলার জন্য উদ্বেগ জানিয়ে আসছে জাতিসংঘ ও পশ্চিমারা। অবশেষে সেখানে জাতিসংঘের পরিদর্শক দলকে যাওয়ার অনুমতি দেয় পুতিন।

news24bd.tv/মামুন