দুদকের মামলায় বরখাস্ত হয়ে ফের অর্থ আত্মসাৎ, বাধ্যতামূলক অব্যাহতি
দুদকের মামলায় বরখাস্ত হয়ে ফের অর্থ আত্মসাৎ, বাধ্যতামূলক অব্যাহতি

মামলায় বরখাস্ত মো. রফিকুল ইসলাম।

দুদকের মামলায় বরখাস্ত হয়ে ফের অর্থ আত্মসাৎ, বাধ্যতামূলক অব্যাহতি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

সরকারি অর্থ কোষাগারে জমার নামে ভুয়া বিল ভাউচারে আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ২৮ আগস্ট পটুয়াখালী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এর সাবেক সহকারী পরিচালক মো. আরিফ হোসেন বাদি হয়ে মামলাটি করেন।

আদালতের মামলায় বরখাস্ত হয়ে ২০১৫ সালে বাউফল উপজেলা ভূমি অফিসে মৌখিক দায়িত্ব পালনকালে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন মো. রফিকুল ইসলাম। যে ঘটনায় অভিযোগ দেয়া হয় তার বিরুদ্ধে।

তার বিরুদ্ধে দীর্ঘ অনুসন্ধানে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলে মামলা করে দুদক।

দুদকের মামলায় উল্লেখ করা হয়, কলাপাড়ায় চাকুরীরত অবস্থায় আদালতের মামলায় বরখাস্ত হয় মো. রফিকুল ইসলাম। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৪ এপ্রিল বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বদলি করে প্রশাসন। বরখাস্ত থাকাকালীন বাউফল উপজেলা ভূমি অফিসে জনবল সংকট থাকায় সংশ্লিষ্টরা রফিকুল ইসলামকে মৌখিকভাবে নাজিরের দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেয়।

বরখাস্ত হয়ে বাউফলে নাজিরের দায়িত্ব পালনকালে ৫১টি চালানের মাধ্যমে সরকারি অর্থ কোষাগারে জমা না দিয়ে ভুয়া চালান দেখিয়ে ৪০,৯২,১০৬ টাকা আত্মসাৎ করে সে।

একই কারণে চলতি বছরের ৩ জুন মো. রফিকুল ইসলামকে চাকুরি থেকে বাধ্যতামূলক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাশফাকুর রহমান। অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ডিবুয়াপুরের মৃত তোজাম্বর আলী হাওলাদারের ছেলে।

news24bd.tv/FA