পাকিস্তানে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি
পাকিস্তানে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি

সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি

অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘ ৪৭ বছরের ইতিহাসের রেকর্ড টপকে পাকিস্তানে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে। শতাংশের হিসেবে এই মাত্রা বর্তমানে ২৭ দশমিক ৩ এ গিয়ে পৌঁছেছে। যা ১৯৭৫ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ। দেশটির অর্থনীতিবিদরা বলছেন- গত আগস্টে সরকার কর্তৃক পাকিস্তানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়েছে।

সেই সঙ্গে দেশটিতে চলমান বন্যাও এতে প্রভাব ফেলছে।  

পাকিস্তান ব্যুরো অফ স্ট্যাটিসটিক্সের (পিবিএস) তথ্য বলছে, গত মাসে (আগস্ট) দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ। যেখানে ১৯৭৫ সালে সবশেষ এমন মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছিল।

এমতাবস্থায় অর্থনীতিবিদরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, দেশটিতে চলমান বন্যার বিরূপ প্রভাব এবং এর ফলে খাদ্য সরবরাহের ব্যাঘাত চলতি সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতির রিডিংয়ে দৃশ্যমান হবে।

যা আগস্ট মাসের তুলনায় অনেক বেশি হারে মুদ্রাস্ফীতির মাত্রাকে ওপরের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

গত ছয় মাস ধরে মুদ্রাস্ফীতি রেখা ওপরের দিকে উঠতে থাকা পাকিস্তানের এক তৃতীয়াংশ এরই মধ্যে বন্যার পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আকস্মিক এই বন্যায় রাস্তা, বাড়িঘর ছাড়াও ফসলি জমি নষ্ট হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে প্রায় ১২শ’ মানুষ বন্যার পানিতে ডুবে প্রাণ খুইয়েছেন। সবমিলিয়ে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান, সিন্ধু, পাঞ্জাব (দক্ষিণ) ও খাইবার প্রদেশের বন্যাকবলিত লক্ষ লক্ষ মানুষ এতে ঘোর বিপাকে পড়েছেন।

তবে বন্যা সংকটের মাঝেই মুদ্রাস্ফীতির এই ধাক্কা সহজেই কাটানো সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন দেশটির অর্থনীতিবিদরা।  

তথ্যসূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন, ডেইলি পাকিস্তান।

news24bd.tv/আলী