ইবির ফটকে খেলোয়াড়দের তালা, ভোগান্তিতে হাজারও শিক্ষক-শিক্ষার্থী
ইবির ফটকে খেলোয়াড়দের তালা, ভোগান্তিতে হাজারও শিক্ষক-শিক্ষার্থী

ইবির ফটকে খেলোয়াড়দের তালা, ভোগান্তিতে হাজারও শিক্ষক-শিক্ষার্থী

ইবি প্রতিনিধি

বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের সকল ইভেন্টে অংশগ্রহণের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়রা। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় প্রধান ফটক অবরোধ করেন আন্দোলন শুরু করেন তারা। এতে ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাস চলাচল বন্ধ হলে ভোগান্তিতে পড়েন প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী।

গত সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের সকল ইভেন্টে অংশগ্রহণসহ ৯ দফা দাবিতে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক ড. সোহেলের কাছে স্মারকলিপি দেন খেলোয়াড়রা।

এসময় দাবি পূরণের আশ্বাস না পাওয়ায় শারীরিক শিক্ষা বিভাগে তালা দেন তারা। এছাড়া উপাচার্যের বাসভবনে অবস্থান নিয়ে শ্লোগান দিতে থাকেন। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বিষয়টি ভেবে দেখার আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করেন তারা।

এদিকে পরদিন আশানুরূপ কোন সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় প্রধান ফটকে তালা দিয়ে অবরোধ করেন খেলোয়াড়রা।

দুই ঘণ্টার অবরোধে ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাসগুলো আটকে পড়ায় ভোগান্তির শিকার হন প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী। আন্দোলনকারীদের সাথে প্রক্টরিয়াল বডি ও শারীরিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের কয়েক দফা আলোচনার পর দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করা হয়।

আন্দোলনকারীরা বলেন, এর আগেও দুইবার ১১টি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেছিলাম কিন্তু এবার বাজেট সংকট দেখিয়ে শুধু ৪টি ইভেন্টে অংশগ্রহণের কথা বলছে প্রশাসন। আমরা সকল ইভেন্টেই খেলার জন্য গতকাল আন্দোলন করি। আজকে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালকের কাছে গেলে তিনি আমাদের বলেন সকল ইভেন্ট নয় মোটামুটি কয়েকটি ইভেন্টে অংশ নেবো আমরা। তাই আমরা প্রধান ফটক অবরোধ করি।

শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক ড. সোহেল বলেন, আমি তাদের বলেছি যে আমরা মোটামুটি সব ইভেন্টে অংশ নিব। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তাদের এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বলছিলাম কিন্তু তারা আবারও আন্দোলনে চলে গেছে।

অবরোধে আটকে পড়া অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের কোন দাবি থাকলে তারা প্রশাসনের সাথে কথা বলতে পারে। কিন্তু ফটক আটকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে ফেলে দাবি আদায় আন্দোলনের কোন পন্থা হতে পারে না।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে গতকালই আমরা সকল ইভেন্টে অংশগ্রহণের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এছাড়া তাদের আবাসনের জন্যেও আমরা চেষ্টা করছি। কিন্তু এর পরেও কেন তারা অবরোধ করলো সেটা আমার বোধগম্য নয়।

news24bd.tv/FA