কুশিয়ারার পানিবণ্টন চুক্তি বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
কুশিয়ারার পানিবণ্টন চুক্তি বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

কুশিয়ারার পানিবণ্টন চুক্তি বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, অভিন্ন সীমান্ত নদী কুশিয়ারার পানি বণ্টন নিয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের একটি বড় অর্জন। প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই সমঝোতা স্মারকের বিনিময়ে ভারতকে কিছু দিতে হয়নি বাংলাদেশের। দুই দেশের সম্পর্ক কখনো দেওয়া-নেওয়ার ভিত্তিতে ছিল না।

সমঝোতা স্মারকের ফলে বাংলাদেশের পক্ষে ১৫৩ কিউসেক পানি প্রত্যাহার করবে ভারত। এতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ৫ হাজার একর জমি সেচের আওতায় আসবে। শুষ্ক মৌসুমে এসব জমি পানিসংকটে ছিল। ’

সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে কথা বলেন শাহরিয়ার আলম।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ মনে করে ভারত অবশ্যই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। তবে এতে সময় লাগতে পারে। কুশিয়ারা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে সমঝোতা স্বাক্ষর হওয়ায় একটি গতির সঞ্চার হয়েছে। তিস্তা পানি ইস্যু সমাধানে আমরা এটিকে ধরে রাখব। ’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরকে গুরুত্ব দিয়েছে ভারত। দিল্লির রাস্তায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও দুই দেশের বন্ধুত্বের পোস্টার দেখা গেছে। সফর নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমও গুরুত্বসহকারে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ’

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সময় নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন রোহিঙ্গা ইস্যুর একমাত্র সমাধান প্রত্যাবাসন। এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বিষয়ে তিনি মোদির সহযোগিতা চেয়েছেন। ভারত জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে কাজ করছে। ’

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ভারত বিষয়টিতে নজর রাখছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের বিভিন্ন ইস্যু তুলে ধরেছে। একে অপরের সহযোগিতা চেয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যু, কানেক্টিভিটি, জ্বালানি ও বাণিজ্য সহযোগিতা এবং পানিবণ্টন ও ব্যবস্থাপনা আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। ’
সূত্র: বাসস

news24bd.tv/ইস্রাফিল