মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০১ মিনিট আগে

যা আছে শিক্ষার্থীদের ৯ দফায় 

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

যা আছে শিক্ষার্থীদের ৯ দফায় 

রাজধানীতে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় নয় দফা দাবিতে চারদিন ধরে রাজধানীতে বিক্ষোভ করে আসছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অবরোধ ও বিক্ষোভে কার্যত ঢাকা শহর অচল হয়ে পড়েছে। এদিকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ভয়ে রাস্তায় বাস নামাচ্ছেন না মালিকরা। বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবিতে যা আছে–

১। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো ড্রাইভারকে ফাঁসি দিতে হবে এবং এই বিধান সংবিধানে সংযোজন করতে হবে।

২। নৌপরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।

৩। ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ ও লাইসেন্স ছাড়া চালকরা গাড়ি চালাতে পারবেন না।

৪। বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া যাবে না।

৫। শিক্ষার্থীদের চলাচলে এমইএস ফুটওভারব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৬। প্রত্যেক সড়কে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় স্পিডব্রেকার দিতে হবে।

৭। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রছাত্রীদের দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।

৮। শিক্ষার্থীরা বাস থামানোর সিগন্যাল দিলে থামিয়ে তাদের নিতে হবে।

৯। শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।


রোববার দুপুরে বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় আবদুল করিম ও দিয়া খানম ওরফে মীম নামে দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত হন আরও ১৩ জন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আবদুল করিম শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়তেন। দিয়া একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষায় সেদিন যা ঘটেছিল, সড়কে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ সময় মোহাম্মদপুর-আব্দুল্লাহপুর রুটে চলাচলকারী জাবালে নূর পরিবহনের একটি বেপরোয়া বাস অপর একটি বাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর উঠিয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক ছাত্র ও এক ছাত্রী নিহত হন।

মৃত্যের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে চিকিৎসকরা জানানা।

এ ঘটনার পর সড়ক অবরোধ করে মিরপুরগামী বাস ভাঙচুর শুরু করে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। কয়েকটি বাসে অগ্নিযোগও করে তারা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনার পর ওই রুটে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য