সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট আগে

১ অক্টোবর থেকে ইলিশ ধরা নিষেধ

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

১ অক্টোবর থেকে ইলিশ ধরা নিষেধ

ইলিশের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় আগামী ১ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন মা ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত পদ্মা-মেঘনা নদীর ১০০ কিলোমিটার এলাকায় এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

জেলা মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে ১ অক্টোবরের আগে জেলেদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সভা, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাইকিং করা হবে।

এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত চাঁদপুর জেলা ট্রাস্কফোর্স ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিয়েছে। এসব এলাকায় মাছ আহরণ, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সফিকুর রহমান বলেন, গত কয়েক বছর জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করায় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের কয়েকটি অভয়াশ্রমের মধ্যে চাঁদপুরের ১০০ কিলোমিটার এলাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনিস্টিটিউট চাঁদপুর নদী কেন্দ্রের প্রধান মৎস্য গবেষক মাসুদ হোসেন খাঁন জানান, ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে অভিযানের ফলে ৬ লাখ ৬৮ হাজার ২৯১ কেজি ডিম উৎপাদন হয়। ফলে ৩৯ হাজার ২৬৮ কেজি জাটকা যুক্ত হয়, সর্বোপরি জেলেরা ৩ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ আহরণ করে। এ কারণে এখন বাংলাদেশের বাজারে পর্যাপ্ত ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখতে সরকার জেলেদের নানা ধরণের সহায়তা দিয়ে আসছে। তারপরও কিছু অসাধু মাছ ব্যবসায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গোপনে এসময় ইলিশ আহরণ করে। সামান্য লাভের আশায় এরা দেশের অনেক বড় ক্ষতি করে। তাই সচেতন মহলের উচিত এই সময়ে ইলিশ না কেনা। একইসঙ্গে কাউকে এসময় ইলিশ আহরণ, মজুদ বা বিক্রি করতে দেখলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা। দেশের প্রতি মমত্ববোধ থেকে সকলের উচিত ইলিশ রক্ষায় এগিয়ে আসা। কারণ একটি মাত্র মা ইলিশ ধরার কারণে কয়েক লক্ষ ইলিশ থেকে বঞ্চিত হয় দেশ।

মন্তব্য