কুবিতে দুই হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১২
কুবিতে দুই হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১২

সংগৃহীত ছবি

কুবিতে দুই হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১২

অনলাইন ডেস্ক

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ লাঠি, রড, দেশীয় অস্ত্র হাতে মহড়া দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম হল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ছাত্রলীগের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এতে দুইপক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

তাদের মধ্যে তিনজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। এখন শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ অবস্থানে রয়েছে। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমাধান করবে।

জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই দুই হলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যায় নজরুল হলের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর করে বঙ্গবন্ধু হলের এক ছাত্রলীগ কর্মী। সে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ায় দুই হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় লাঠি, রড, দেশীয় অস্ত্র হাতে দেখা দেখা যায় একাধিক ছাত্রলীগ কর্মীকে।

প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা দুই পক্ষকে নিবৃত্ত করা চেষ্টা করে এবং নেতাকর্মীদের হলে ফিরিয়ে নেন।

বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠিক সম্পাদক আবু সাদাৎ মো সায়েম বলেন, আমরা চা খেতে হলের সামনের দোকানে যাই। সেখানে নজরুল হলের রায়হানসহ কয়েকজন উপস্থিত হয়। এসময় রায়হান আমাদের হলের একজনকে মারধর শুরু করেন। আমি তাদের নিবৃত্ত করতে নজরুল হলের সামনে নিয়ে গেলে কয়েকজন জুনিয়র মিলে আমাকে মারধর করে। আমি তবুও তাদের বুঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমাদের দিকে ইট মারতে থাকে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলেন প্রাধ্যক্ষ ড. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম বলেন, ছাত্রদের সংঘর্ষের কথা শুনে আমি হলে আসি। এরপর প্রক্টোরিয়াল টিমকে সাথে নিয়ে শিক্ষার্থীদের হলে ফিরিয়ে নিয়ে আসি এবং হলের ফটক বন্ধ করে দেই।  

উল্লেখ্য, শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ছাত্রলীগ কর্মী সেলিম রেজাকে পথ থেকে সরে দাঁড়াতে বলে কাজী নজরুল ইসলাম হল ছাত্রলীগ নেতা ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল রায়হান। নামাজ শেষে রায়হানের কাছে বিষয়টি জানতে চায় বঙ্গবন্ধু হলের সেলিম রেজা, রিফাতসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী। এ সময় দুই হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

news24bd.tv/হারুন