সামরিক জোটের বিকল্প নয় এসসিও: পেসকভ
সামরিক জোটের বিকল্প নয় এসসিও: পেসকভ

সংগৃহীত ছবি

সামরিক জোটের বিকল্প নয় এসসিও: পেসকভ

অনলাইন ডেস্ক

সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক ব্লক। এটি কোনো সামরিক জোটের বিকল্প নয়। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে এ মন্তব্য করেছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। খবর আরটির।

তার মতে, ‘এসসিও এর সদস্য দেশগুলোর সম্পর্ক একে অপরের স্বার্থ এবং পারস্পরিক সুবিধার জন্য পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে তৈরি। ’

পেসকভ বলেন, ‘সামরিক সংস্থার বিকল্প হিসেবে এসসিওকে গণ্য করা হয় না। এই জোট পারস্পারিক বন্ধুত্বের, কারো বিরুদ্ধে নয়। ’।

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর পশ্চিমাদের সাথে রাশিয়ার সম্পর্ক খুবই খারাপ অবস্থায় আছে। ন্যাটোভুক্তো দেশগুলো রাশিয়ার উপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। তবে রাশিয়া জোর দিয়ে বলছে, দেশটিকে বিচ্ছিন্ন করার যেকোনো প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। অন্যদিকে রাশিয়ার সাথে জোটভুক্ত সংস্থাগুলোও বিস্তৃত হচ্ছে। ইতিমধ্যে ইরান এবং আর্জেন্টিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসে সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করেছে এবং সৌদি আরব, তুরস্ক এবং মিশর জোটে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সমরখন্দে সম্মেলন শুরুর আগে এসসিও মহাসচিব ঝাং মিং বলেছেন, ‘এটা বললে বাড়িয়ে বলা হবে ‍না যে, সংস্থাটিতে যোগ দিতে আগ্রহী দেশের দীর্ঘ সারি রয়েছে। ’ বৃহস্পতিবার এসসিও এবং ইরানের মাঝে একটি খসড়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটির পূর্ণ সদস্য হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।

এসসিও'র সদস্য দেশগুলোর জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ এবং জিডিপি বিশ্বের মোট জিডিপির ৩০ শতাংশ।

বর্তমানে সংস্থাটিতে ৮ টি পূর্ণ সদস্য রয়েছে। এরা হলো রাশিয়া, ভারত, চীন, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, পাকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। বেলারুশ, ইরান, আফগানিস্তান ও মঙ্গোলিয়া পর্যবেক্ষকের মর্যাদা পেয়েছে। এর মধ্যে বেলারুশ ও ইরান পূর্ণ সদস্য হিসেবে এসসিওতে যোগদানের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

মঙ্গলবার উজবেকিস্তানের জাতীয় এসসিও সমন্বয়কারী রাখমাতুল্লা নুরিমবেতভ জানিয়েছেন, এবারের  শীর্ষ সম্মেলনে ছয়টি দেশ সংলাপ অংশীদারের মর্যাদা পাবে।

news24bd.tv/আজিজ