গম কেনা নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের
গম কেনা নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের

প্রতীকী ছবি

গম কেনা নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে বেশি দামে রাশিয়া থেকে গম কেনা হয়েছে বলে টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়া, জিটুজি ভিত্তিতে গম কেনার ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের যুক্ত থাকা নিয়ে টিআইবির তথ্য সঠিক নয় বলেও জানান খাদ্য সচিব মোহাম্মদ ইসমাইল।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এদিকে, প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে খাদ্য মন্ত্রণালয় যে বক্তব্য দিয়েছে তা পরিষ্কার নয় বলে মন্তব্য করেছে টিআইবি।

এর আগে বহু দেনদরবার করেও ভারত থেকে গম আমদানি না করতে পেরে জি টু জি ভিত্তিতে ৫ লাখ মেট্রিক টন গম আমদানির জন্য রাশিয়ার সাথে চুক্তি করে সরকার। যেখানে প্রতি টন গম কেনা হচ্ছে ৪৭০ ডলারে।

গণমাধ্যমে এই খবর প্রচারের পর ট্র্যান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অব বাংলাদেশ টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া থেকে গম কেনার পদ্ধতি স্বচ্ছ নয় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের। আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে বেশী দামে গম কেনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করে টিআইবি।

আইন অমান্য করে ইলেকট্রনিক বিডি নামে এক মধ্যস্বত্তভোগী প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে বলেও জানায় তারা।

টিআইবির এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, সব ধরনের নিয়মের মধ্যে থেকেই রাশিয়া থেকে গম কিনেছে সরকার। এখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়নি। টিআইবির প্রতিবেদন মনগড়া।

রাশিয়া থেকে গম কেনার পুরো প্রক্রিয়াটাই প্রশ্নবিদ্ধ- এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক সব প্রক্রিয়া মেনেই রাশিয়ার সাথে চুক্তি করেছে সরকার। দেশের খাদ্য ঘাটতি মেটাতে এছাড়া কোনো উপায় ছিলো না সরকারের কাছে।

এদিকে, হঠাৎ করে  চালের দাম বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে খাদ্য সচিব বলেন, আশেপাশের কয়েকটি দেশে খাদ্য পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা ভয় পেয়ে আগেই চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। যারা এমন করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

পহেলা অক্টোবর থেকে জেলা এবং সিটি কর্পোরেশনে প্যাকেটে করে আটা বিক্রি শুরু হবে ওএমএস এর মাধ্যমে। এটা শুরু হলে গম নিয়ে কালোবাজারি বন্ধ হবে বলে জানান খাদ্য সচিব।

news24bd.tv/FA