১৭ বছর পর পাকিস্তানে ফেরা, জয়ে রাঙাল ইংল্যান্ড
১৭ বছর পর পাকিস্তানে ফেরা, জয়ে রাঙাল ইংল্যান্ড

সংগৃহীত ছবি

১৭ বছর পর পাকিস্তানে ফেরা, জয়ে রাঙাল ইংল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক

২০০৫ সালের পর প্রথমবার পাকিস্তানের মাটিতে খেলতে নেমেই জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড। আজ করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে পাকিস্তনের দেওয়া ১৫৯ রানের লক্ষ্য ৪ বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায় ইংল্যান্ড।

করাচিতে আজ টস জিতে আগে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান ইংল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মঈন আলী। বাবর আজম এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান পাকিস্তানকে দারুণ একটা শুরু এনে দিলেও, শেষটা হতাশায় শেষ হয় স্বাগতিকদের।

ফলে ৭ উইকেটে ১৫৮ রান করতেই থামে পাকিস্তানের রানের চাকা।

জবাব দিতে নেমে ইংল্যান্ড শুরুতেই হারায় উইকেট। তবে ৩ বছর জাতীয় দলে ফিরেই দলের হাল ধরেন অ্যালেক্স হেলস। তুলে নেন ফিফটি।

এরপর পাঁচে নেমে হ্যারি ব্রুক খেলেন ঝড়ো ইনিংস। তাতেই ১৭ বছর পর পাকিস্তানে ফেরা জয়ে রাঙায় ইংলিশরা।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দলীয় ১৯ রানে ফিলিপ সল্টের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। সল্ট ১০ রান করে ফেরেন শাহনেওয়াজ দাহানির শিকার হয়ে। পাওয়ারপ্লেতে পাকিস্তানের সাফল্য ওই একটিই। তবে পাওয়ারপ্লে শেষ হতেই আবার ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। হারায় দাবিদ মালানের উইকেট। মালান ফেরেন ব্যক্তিগত ২০ রানে উসমান কাদিরকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে।

মালানকে হারালেও হেলস ইনিংসের হাল ধরে রেখেছিলেন। তাই বেন ডাকেট ২১ রানে ফিরে গেলেও ইংল্যান্ড খুব একটা চাপে পড়েনি। উল্টো হ্যারি ব্রুক মাঠে নামতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। বড় শট না খেললেও নিয়মিত বাউন্ডারি বের করেছিলেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। হেলস ৪০ বলে ৫৩ রান করে ফিরলেও ইংল্যান্ডের জয় তুলে নিতে কোনো কষ্টই হয়নি।

ব্রুক ২৫ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলে থাকেন অপরাজিত। অধিনায়ক মঈন আলীকে (৯ রান) নিয়ে ম্যাচ শেষ করে ফেরেন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট গেছে উসমান কাদিরের পকেটে। একটি করে উইকেট পেয়েছেন শাহনেওয়াজ দাহানি এবং হারিস রউফ।

পাকিস্তান বোলাররা শেষদিকে ইংল্যান্ড ব্যাটারদের লাগাম টেনে ধরতে না পারলেও, ইংলিশ বোলাররা ঠিকই পেরেছে। নইলে পাকিস্তান যেখানে অনায়াসে ১৮০-২০০ রানের পথে ছিল, সেখান থেকে ১৬০ এর আগেই কীভাবে শেষ হয় তাদের ইনিংস? পাকিস্তান প্রথম ১০ ওভারে যেখানে ১ উইকেটের বিনিময়ে তুলেছিল ৮৭ রান। সেখানে শেষের ১০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে মোটে তোলে ৭১ রান!

পাকিস্তানকে শেষের দিকে চেপে ধরেন অভিষিক্ত লুক উড এবং আদিল রশিদ। পাকিস্তানের ফিনিশার রোলে থাকা মোহাম্মদ নেওয়াজ (৪ রান) এবং ভয়ংকর হতে যাওয়া ইফতিখারকে (২৮ রান) ফেরান লুক। এরপর নাসিম শাহকেও (০ রান) সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন এই লুক। ৪ ওভারে ২৪ রান খরচে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন এই পেসার।

পাকিস্তানের এই বাজে শেষের আগে মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং বাবর আজম উদ্বোধনী জুটিতেই তোলেন ৮৫ রান। বাবর ৩১ রান করে ফিরতে ভাঙে এই জুটি। ১১ রান করে হায়দার আলী ফেরার পর ৬৮ রান করা রিজওয়ানও যখন একই পথে হাঁটা ধরেন তখনও বড় স্কোরের পথেই ছিল স্বাগতিকরা। তবে ইংল্যান্ড দারুণ বোলিংয়ে সেখান থেকেই ম্যাচটা নিজেদের করে নেয়।

news24bd.tv/সাব্বির

এই রকম আরও টপিক