বিধ্বংসী বাবর-রিজওয়ান, পাকিস্তানের ১০ উইকেটের জয়
বিধ্বংসী বাবর-রিজওয়ান, পাকিস্তানের ১০ উইকেটের জয়

সংগৃহীত ছবি

বিধ্বংসী বাবর-রিজওয়ান, পাকিস্তানের ১০ উইকেটের জয়

অনলাইন ডেস্ক

রান খরায় ভুগতে থাকা বাবর আজমকে নিয়ে সমালোচনা হচ্ছিল বেশ। যার প্রভাব পড়েছিল তার নেতৃত্বেও। এশিয়া কাপ ব্যর্থতায় চাপে ছিলেন বড্ড। তবে এক তুড়িতে সব সমালোচনা যেন দূরে ঠেললেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

আজ করাচিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন বাবর।

বাবর আজমের দুর্দান্ত এই সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয় পেয়েছে পাকিস্তান। ২০০ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করলেও রান তাড়ায় নেমে পাকিস্তান হারায়নি কোনো উইকেট। বাবরের ওপেনিং সঙ্গী মোহাম্মদ রিজওয়ান সেঞ্চুরি না পেলেও ছিলেন আরও বিধ্বংসী।

১৭২ স্ট্রাইকরেটে ৫১ বলে ৮৮ রানে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান। ৬২ বলে সেঞ্চুরি করা বাবরের ব্যাট থেকে আসে উইনিং রান। তিনি অপরাজিত থাকেন ৬৬ বলে ১১০ রান করে।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৫ উইকেটে ১৯৯ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ইংল্যান্ড। তবে এত বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েও পাকিস্তানকে কখনই চাপে ফেলতে পারেনি ইংলিশ বোলারা।

পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ৫৯ রান তুলে ফেলে পাকিস্তান। এরপর রান তোলার গতি আরও বাড়ে স্বাগতিকদের। বাবরের আগে ৩০ বলে টি২০ ক্যারিয়ারের ১৮তম ফিফটি তুলে নেন রিজওয়ান। ঠিক পরের ওভারে বাবর অর্ধশতক হাঁকান ৩৯ বলে। ২৩তম ফিফটি তুলে নেওয়ার পরেই বাবরের ব্যাট খোলা তরবারির মতো কথা বলতে থাকে। পরের ৫০ রান করতে মাত্র ২৩ বল লাগে তার।

১৮তম ওভারে টি২০ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন বাবর আজম। এরপর তার হাতেই শেষ হয় ম্যাচ। শেষ ওভারে ডেভিড উইলির তৃতীয় বল কাভার দিয়ে চার মেরে পাকিস্তানের ১০ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন দলপতি বাবর।

এর আগে, ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড প্রথম উইকেট হারায় ৪২ রানে। আগের ম্যাচে ফিফটি তুলে নেওয়া অ্যালেক্স হেলস ফেরেন ২৬ রান করে। শাহনেওয়াজ দাহানি ফেরান তাকে। পরের বলে ভয়ংকর দাবিদ মালানকেও ফেরান এই পাক পেসার। দুজনকেই ক্লিন বোল্ড করেন দাহানি।

ইংল্যান্ড সেই ধাক্কা কাটায় ফিলিপ সল্ট এবং বেন ডাকেটের ব্যাটে। সল্ট মন্থর গতিতে ব্যাটিং করলেও, ডাকেট করেন স্বভাবজাত আগ্রাসী ব্যাটিং। তৃতীয় উইকেটে এ দুজন যোগ করেন ৫৩ রান। ৩০ রান করা সল্টকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন পেসার হারিস রউফ। পরের ওভারে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন ডাকেটও। ২২ বলে ৪৩ রান করা এই ব্যাটারকে ফেরান মোহাম্মদ নেওয়াজ।

দ্রুত দুই উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি ইংল্যান্ড। উল্টো হ্যারি ব্রুক এবং অধিনায়ক মঈন আলী পাল্টা আক্রমণ করেন পাকিস্তানি বোলারদের। হারিসের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১৯ বলে ৩১ রান করেন ব্রুক। মঈন থাকেন অপরাজিত। মাত্র ২৩ বলে ৫৫ রান আসে এই অলরাউন্ডারের ব্যাট থেকে। স্যাম কারান শেষের দিকে নেমে ৮ বলে অপরাজিত থাকেন ১০ রান করে।

news24bd.tv/সাব্বির