পুতিনের হুমকিকে ‘গুরুতরভাবে’ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
পুতিনের হুমকিকে ‘গুরুতরভাবে’ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সংগৃহীত ছবি

পুতিনের হুমকিকে ‘গুরুতরভাবে’ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক

ইউক্রেনে রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রুশ এ নেতার হুমকিটিকে ‘গুরুতরভাবে’ দেখছে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।  

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটিকে হোয়াইট হাউজের শীর্ষ কর্মকর্তা জন কিবরি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত প্রতিরোধের ভঙ্গি পরিবর্তন করছে না।

তবে পুতিন দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কথা বলেছেন। আমরা তার কথা গুরুতরভাবে দেখছি। ’

গত বুধবার পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তার দেশ নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষার্থে সমস্ত উপায় ব্যবহার করবে। রুশ বাহিনী নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলে রাশিয়ায় যোগ দেয়ার গণভোটের কথা পরই পুতিন এমন মন্তব্য করেছিলেন।

তবে গণভোটের বিপক্ষে ইউক্রেন ও তাদের পশ্চিমা মিত্ররা। এই গণভোটকে একটি ছলনামূলক অনুশীলন বলে অভিহিত করেছেন তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিবরি বলেন, ‘হুমকিগুলোকে গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে এবং আমরা তা করে আসছি...আমরা তাদের পারমাণবিক ক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের কৌশলগত পরিবর্তন করতে হবে এমনটা দেখছি না। ’

ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের গণভোট ও রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়া নিয়ে এ মার্কিনি বলেন, ‘রাজনীতি ও গণভোট ইস্যু দিয়ে পুতিন তার উদ্দেশে হাসিল করতে চাচ্ছে। এটি তার একটি চক্রান্ত। সামরিক শক্তি দিয়ে না পেরে তিনি এখন অন্য পথ নিচ্ছেন। ’

‘তবে এটি কাজ করবে না। পুতিনকে ইউক্রেন ছেড়ে যেতে হবে। তাকে এই যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে,’ যোগ করেন জন কিবরি।

এ দিকে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে চলা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার সমালোচনা করা হয়। বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনিও ব্লিনকেন বলেন, ‘আঞ্চলিক অখণ্ডতার হুমকির প্রতিক্রিয়া হিসাবে এই সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট পুতিন সমস্ত অস্ত্র ব্যবহারের কথা জানিয়েছে। ইউক্রেনের বিশাল অংশকে নিজেদের ভূখণ্ডে সংযুক্ত করার রাশিয়ার অভিপ্রায় হুমকিস্বরূপ। ’

‘নিরাপত্তা পরিষদের এমন একটি দেশ এমনটি করছে যারা কি না বছরের শুরুতে একটি বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে। যেখানে কি না বলা হয়েছিল, পারমাণবিক যুদ্ধ কখনই জেতা যায় না এবং কখনই লড়াই করা উচিত নয়,’ যোগ করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।