গণভোটে বিপুল সাড়া, দোনেৎস্ক-লুহানস্কের সিংহভাগ ভোট রাশিয়ার পক্ষে
গণভোটে বিপুল সাড়া, দোনেৎস্ক-লুহানস্কের সিংহভাগ ভোট রাশিয়ার পক্ষে

সংগৃহীত ছবি

গণভোটে বিপুল সাড়া, দোনেৎস্ক-লুহানস্কের সিংহভাগ ভোট রাশিয়ার পক্ষে

অনলাইন ডেস্ক

রুশ বাহিনীর দখলে থাকা ইউক্রেনের চার অঞ্চলে গণভোট শেষ হয়েছে মঙ্গলবার। স্থানীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দোনেৎস্ক এবং লুহানস্কের (ডিপিআর এবং এলপিআর) অধিকাংশ নাগরিক রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। খবর আরটির।

প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুসারে, ডিপিআরে (দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক) প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোটার রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন।

এলপিআরেও (লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক) গণভোটে একই রকম ফলাফল এসেছে। প্রায় ৯৮ শতাংশ ভোটার রাশিয়ার সঙ্গে পুনর্মিলনকে সমর্থন করেছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, উভয় প্রজাতন্ত্রেই ইতিমধ্যেই সমস্ত ব্যালট গণনা করা হয়েছে।

গত শুক্রবার শুরু হয়ে পাঁচ দিন চলে এই ভোট গ্রহণ।

দোনেৎস্ক এবং লুহানস্কের মতো বাকি দুই অঞ্চল খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়ায়তেও একই রকম ফল আসতে যাচ্ছে। ভোটের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল আজ প্রকাশিত হতে পারে।

আগামী শুক্রবার রুশ পার্লামেন্টে ভাষণ দেবেন ভ্লাদিমির পুতিন। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, আগামী শুক্রবারই ভোট হওয়া অঞ্চলগুলোকে রুশ ফেডারেশনে যুক্ত করার ঘোষণা দিতে পারেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। খবর রয়টার্সের।

ইউক্রেন যুদ্ধে সম্প্রতি রুশ সেনারা পেছন হটছিল। তবে এমন সময়েই ওই অঞ্চলগুলোতে গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দেয় ক্রেমলিন। সে অনুযায়ী খেরসন, জাপোরিঝঝিয়া, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলে গত শুক্রবার থেকে গণভোট শুরু হয়।

ইউক্রেনের চার অঞ্চলে যে গণভোটে বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে, তা নিশ্চিত করেছেন আল-জাজিরার সংবাদদাতা মোহাম্মদ ভাল। তবে স্থানীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে তার তথ্যের ফারাক রয়েছে। মোহাম্মদ ভাল বলেন, দোনেৎস্কে ৮৭ শতাংশ, লুহানস্কে ৮৩ শতাংশ, খেরসনে ৬৬ শতাংশ ও জাপোরিঝঝিয়ায় ৬৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে মঙ্গলবার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার ভোট গণনা হতে পারে। সন্ধ্যায় রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ডুমায় গণভোটের ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

ভোটাভুটির ফল নিজেদের পক্ষে গেলে অঞ্চলগুলো রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা হতে পারে। তবে ফল কী হবে, তা আগে থেকেই ক্রেমলিন ঠিক করে রেখেছে বলে দাবি যুক্তরাষ্ট্র ও দেশটির পশ্চিমা মিত্রদের।

এর আগেও গণভোটের মাধ্যমে ইউক্রেনের অঞ্চল রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার ঘটনা ঘটেছে। সেটা ২০১৪ সালে। সে বছর পুতিনের নির্দেশে প্রথমে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে নেয় রাশিয়া। পরে সেখানে গণভোটের আয়োজন করা হয়। রাশিয়ার ওই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

news24bd.tv/সাব্বির