২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি
২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি

সংগৃহীত ছবি

২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি

অনলাইন ডেস্ক

প্রথমে করোনা মহামারি, পরে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ; এতেই বিপর্যস্ত বৈশ্বিক অর্থনীতি। জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়ছে হু হু করে। এর থেকে বাদ যায়নি ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ জার্মানি। গত সেপ্টেম্বরে দেশটির মুদ্রাস্ফীতি ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল।

খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদনে লন্ডন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাটি জানায়, গত সেপ্টেম্বরে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি সবশেষ ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল। জ্বালানির দাম বাড়ায় ইউরোপের দেশটির সঙ্গে এমনটি হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক করে আসছে বিশ্লেষকরা।

জার্মানি ফেডারেল পরিসংখ্যান অফিসের তথ্য মতে, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় জার্মানিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ। তবে রয়টার্সের তথ্য মতে, দাম বেড়েছে ১০ শতাংশ পর্যন্ত।

১৯৯৬ সালে থেকে জার্মানির নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের হিসেব রাখা হচ্ছে। এরপর থেকে দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় জার্মানিতে জ্বালানির দাম বেড়েছে ৪৩ দশমিক ৯ শতাংশ। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিডাব্লিউএস ব্যাংকের উলরিক কাস্টেন্স।

তিনি বলেন, ‘জ্বালানি খরচের যে বৃদ্ধি তা প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল। এটি ইঙ্গিত দেয় যে ইউটিলিটিগুলোর দ্বারা ঘোষিত দাম বৃদ্ধির একটি বড় অনুপাত এখনও দেখা যায়নি। কিন্তু এটি কেবল সময়ের প্রশ্ন। ’ ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে রাশিয়া। এতে করে প্রাকৃতিক এ জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। দাম বৃদ্ধির এমন পরিস্থিতি কয়েক দশকেও দেখা যায়নি। এতে করে ভোক্তাদের খরচ বেড়েছে।  

জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধি জার্মান নাগরিকদের কেনাকাটায় প্রভাব ফেলেছে। এইচডিইর এক জরিপে দেখা গেছে, ৪৬ শতাংশ জার্মান কিছু নির্দিষ্ট পণ্য কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন। ৬০ শতাংশ মানুষ ছাড়ে পণ্য কেনার সুযোগ নেন।  

news24bd.tv/আজিজ