ই-ভ্যালির সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা গেলো কোথায়? 
ই-ভ্যালির সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা গেলো কোথায়? 

সংগৃহীত ছবি

ই-ভ্যালির সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা গেলো কোথায়? 

হাবিবুল ইসলাম হাবিব

ই-ভ্যালির সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এমনকি প্রায় ৮০ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করলেও, কোন খাতে তা ব্যয় হয়েছে তার কোনো হিসাব নেই। প্রতিষ্ঠানটির সদ্য বিদায়ী পরিচালনা পর্ষদের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।  

এ অবস্থায় আবারও ব্যবসা শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর মনে করে, এখন যেকোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান চালাতে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।  

প্রথমে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন, পরে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারায়, গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুরু হয় গ্রাহক অসন্তোষ। এক পর্যায়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগে ই-ভ্যালি থেকে শুরু করে ই-অরেঞ্জসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার।

এর মধ্যে ই-ভ্যালিতে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত একটি পরিচালনা পর্ষদও কাজ করে।

কয়েক দিন আগে, নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করে অব্যাহতি নিয়েছে ওই কমিটি।  

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইভ্যালির সাতটি ব্যাংক হিসাবে ৪ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার বেশি জমা হলেও তা কোথায় কীভাবে সরানো বা ব্যয় হয়েছে তার তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ব্যাংক থেকে ৭৯ কোটি ৯ লাখ টাকা নগদ উত্তলোন করা হলেও তা কোন খাতে ব্যয় হয়েছে তার হিসাব মেলেনি।

ই-ভ্যালির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিনকেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে এখনই তারা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপ্রতি শামছুদ্দিন চৌধুরী মানিক।

এ মন অবস্থায় ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে পুনরায় মার্কেটিং কার্যক্রম শুরু করেছে ই-ভ্যালি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এত অনিয়মে অভিযুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে পুনরায় সচল হবে? 

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান জানান, নতুন নিতিমালা অনুযায়ী ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের আর কোনো অনিয়ম করার সুযোগ নেই।

ই-কমার্স পরিচালনার নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করছে সরকার। যাকে বলা হয় ডিজিটাল-কমার্স বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা ডিবিআইডি।

news24bd.tv/ইস্রাফিল