বিস্ফোরণের ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধারাভিযান শেষ, নিহত বেড়ে ৪১
বিস্ফোরণের ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধারাভিযান শেষ, নিহত বেড়ে ৪১

সংগৃহীত ছবি

তুরস্কে কয়লাখনি বিস্ফোরণ 

বিস্ফোরণের ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধারাভিযান শেষ, নিহত বেড়ে ৪১

অনলাইন ডেস্ক

তুরস্কের উত্তরাঞ্চলের একটি কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ১১ জনকে। নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। বিস্ফোরণের পর সবশেষ একজন শ্রমিক নিখোঁজ ছিলেন।

তার লাশ উদ্ধারের পর ২০ ঘণ্টার উদ্ধারাভিযান শেষ করা হয়। খবর বিবিসির।

শেষ মৃতদেহ উদ্ধারের আগে শনিবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেইমান সোয়লু জানান, বার্তিন প্রদেশের কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের সময় সেখানে ১১০ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। বিস্ফোরণের পরপরই উদ্ধারকারীরা ৫৮ শ্রমিককে উদ্ধার করেছেন।

একজন খনি শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে খুঁজে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেইমান সোয়লু বলেছেন, ‘খনিতে এখনও আগুন জ্বলছে। খনি শ্রমিক এবং তাদের দলের অন্যান্যরা সহকর্মীদের সেখানে ছেড়ে না আসার ব্যাপারে মহৎ ত্যাগ স্বীকার করেছিল। ’

তিনি আরও বলেন, ‘বিস্ফোরণের সময় কয়লা খনিটিতে ১১০ কর্মী ছিল। বেশিরভাগকে সরিয়ে নিতে সক্ষম হলেও ৪৯ জন আটকা পড়ে। কারণ তারা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আটকা পড়েছিলেন। ’

শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) কৃষ্ণ সাগরের উপকূলীয় প্রদেশ বারতিনের আমাসরা শহরে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টিটিকে আমাসরা মুয়েসেস মুদুরলুগু খনিতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তুরস্কের জ্বালানি মন্ত্রী ফাতিহ ডনমেজ বলেছেন, ধারণা করা হচ্ছে কয়লা খনিতে দাহ্য জাতীয় গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণটি ঘটেছে।

বারতিনের গভর্নর অফিস জানায়, রাত ৩টা ১৫ মিনিটে খনির প্রবেশপথের ৩০০ মিটার (৯৮৫ ফুট) নিচে বিস্ফোরণটি ঘটে। গভর্নরের বরাতে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদুলা এজন্সি জানায়, ৪৪ জন খনির প্রবেশপথের ৩০০ মিটার নিচে আটকা পড়েছে। আরও পাঁচজন প্রবেশপথের ৩৫০ মিটার নিচে আটকা পড়েছে।

তুরস্কে এখন পর্যন্ত ভয়াবহ কয়লাখনি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল ২০১৪ সালে। ওই বছর ইস্তাম্বুল থেকে সাড়ে ৩০০ কিলোমিটার দূরে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সোমায় কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে অন্তত ৩০১ খনি শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটে।

news24bd.tv/সাব্বির