‘ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে’ সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে প্রস্তুত প্রশাসন
‘ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে’ সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে প্রস্তুত প্রশাসন

সংগৃহীত ছবি

‘ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে’ সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে প্রস্তুত প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক

আন্দামান সাগরের কাছের লঘুচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটা ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে পরিণত হয়ে আগামী মঙ্গলবার ভোরে বাংলাদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। ঘূর্ণিঝটির সম্ভাব্য খতি কমাতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।  

রোববার (২৩ অক্টোবর) সাভারের আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রে তিনি নিউজ টোয়েন্টি ফোরকে বলেন, ‘সিত্রাংয়ের প্রভাবে  সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসকদের সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। মাছ ধারার নৌকা ও জেলেদের উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে। ’    

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার কারণে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।

গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপকূলে আগামী দুই দিন প্রবল বৃষ্টি হতে পারে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি পুরো বরিশাল বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে আঘাত হানতে পারে। আঘাতের সময় বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। রাতে অমাবস্যার কারণে উপকূলীয় এলাকা ও চরাঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭ থেকে ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

এ দিকে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধি নিয়ে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) ঘণ্টায় ঘণ্টায় তথ্য দিলে এ নিয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিম্নচাপ সৃষ্টির তথ্য ছাড়া আর কোনো আপডেট নেই। ভারতের কেন্দ্রীয় ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘূর্ণিঝড়ের প্রস্তুতি হিসেবে দেশটির উপকূলীয় এলাকাগুলোয় ব্যাপক কার্যক্রম নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। ৪৬টি টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

news24bd.tv/ইস্রাফিল